নিউজ ডেস্ক ::বাংলাদেশের জন্য প্রতিবেশী দেশ ভারত সবসময় কৌশলগত, কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ। অথচ ড. ইউনুসের নেতৃত্বাধীন অবৈধ সরকারের সাম্প্রতিক বিদেশ সফর সাধারণ মানুষের জন্য নতুন উদ্বেগ তৈরি করেছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই ধরনের কূটনৈতিক পদক্ষেপ শুধুমাত্র দুই দেশের সম্পর্ককে নষ্ট করছে না, দেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা এবং অর্থনীতির ওপরও সরাসরি ক্ষতিকর প্রভাব ফেলছে।
চীনের সফরের সময় ড. ইউনুস ভারতের সেভেনসিস্টার ইস্যুতে আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে ভারত একের পর এক পদক্ষেপ নিয়েছে। বাংলাদেশের নাগরিকদের জন্য ভিসা সীমিত, ট্রানজিট শিপমেন্ট বন্ধ, স্থলপথে রপ্তানী স্থগিত, ট্রেন যোগাযোগ বন্ধ এবং ভারতীয় বিনিয়োগ প্রত্যাহার সবই দেশের অর্থনীতিকে চরমভাবে প্রভাবিত করছে।
পরবর্তীতে ড. ইউনুস আমেরিকায় সফর করে ভারতকে বদনাম করে ফেরেন। তার সফরসঙ্গী, জামাত নেতা তাহের ভারতের ওপর হুমকি প্রদান করেন এবং ব্যর্থ স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা পার্বত্য এলাকায় ধর্ষণকেন্দ্রিক সহিংসতার দায়ভার ভারতের ওপর চাপানোর চেষ্টা করেন। ইতিমধ্যেই ভারতের পক্ষ থেকে এই অভিযোগের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানানো হয়েছে।
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই ধরনের অনিয়ন্ত্রিত কূটনীতি সাধারণ মানুষের জীবনে ভয় ও অস্থিরতা সৃষ্টি করছে। বাংলাদেশ ভারতের ওপর ব্যাপকভাবে নির্ভরশীল হওয়ায় সরবরাহ বন্ধ বা সীমিত হলে বাজারে মূল্যস্ফীতি এবং অস্থিরতা দেখা দিতে পারে। উদাহরণস্বরূপ,,,
ভারতের চাল রপ্তানি বন্ধ হলে দাম কেজি দর ১০০ টাকার উপরে পৌঁছাতে পারে।
ভারতের বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হলে ভয়াবহ লোডশেডিং শুরু হবে।
ভারত থেকে পাইপলাইনে ডিজেল সরবরাহ বন্ধ হলে উত্তরবঙ্গের তেলের দাম বৃদ্ধি পাবে।
ভারতীয় পেয়াজ ও কাঁচা মরিচের সরবরাহ বন্ধ হলে বাজারে দাম যথাক্রমে ১০০ ও ১০০০ টাকা প্রতি কেজি পৌঁছাবে।
সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা, খাদ্য নিরাপত্তা এবং দেশের অর্থনীতির স্থিতিশীলতার জন্য প্রতিবেশী রাষ্ট্রের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ ও সমন্বিত সম্পর্ক অপরিহার্য। ড. ইউনুসের কূটনীতি এবং ভারতের প্রতিক্রিয়া দেশের সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ও অস্থিরতা সৃষ্টি করছে। বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন, অবৈধ সরকারের এই অনিয়ন্ত্রিত পদক্ষেপ দেশের নিরাপত্তা, বাজার এবং সামাজিক স্থিতিশীলতার জন্য দীর্ঘমেয়াদি হুমকি হিসেবে প্রমাণিত হচ্ছে।