নিউজ ডেস্ক :: বাংলাদেশ এখন ইতিহাসের এক গুরুত্বপূর্ণ সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শে গঠিত বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ আবারও জনতার পাশে, দেশ রক্ষার ময়দানে নেমেছে। দেশের বর্তমান অস্থির রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট, অবৈধ শাসনব্যবস্থা ও জাতীয় মর্যাদার ওপর একের পর এক আঘাতের প্রতিক্রিয়ায় আওয়ামী লীগ ঘোষণা করেছে নতুন কর্মসূচি—১৪ ও ১৫ নভেম্বর সারাদেশে প্রতিবাদ, বিক্ষোভ ও প্রতিরোধ, এবং ১৬ ও ১৭ নভেম্বর সর্বাত্মক শাটডাউন।
এই কর্মসূচি কেবল একটি রাজনৈতিক ঘোষণা নয়, বরং এটি জাতীয় জাগরণের নতুন অধ্যায়ের সূচনা। আওয়ামী লীগ স্পষ্ট করে জানিয়ে দিয়েছে—দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও গণতন্ত্র রক্ষার আন্দোলন আর পিছু হটবে না।
“ইউনূসের পতন না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন অব্যাহত থাকবে”—এই প্রতিজ্ঞাই এখন গলি থেকে মহাসড়ক, কারখানা থেকে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যন্ত প্রতিধ্বনিত হচ্ছে অগ্নিঝরা স্লোগানে।
*প্রতিবাদ থেকে প্রতিরোধ*
১৪ ও ১৫ নভেম্বরের কর্মসূচি হচ্ছে আওয়ামী লীগের ঐক্যবদ্ধ প্রতিবাদের প্রতিধ্বনি দমন, নিপীড়ন, গণহত্যা ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে জাতীয় প্রতিরোধের শুরুবার্তা। দেশের প্রত্যন্ত গ্রাম, শহর, জেলা, বন্দর সবখানে সাধারণ মানুষ, শ্রমিক, কৃষক, ছাত্র-জনতা এক কণ্ঠে বলছে:
“অবৈধ শাসনের অবসান চাই, গণতন্ত্রের পুনর্জাগরণ চাই।”
এই প্রতিবাদ শুধু রাজনৈতিক অবস্থান নয় এটি হচ্ছে স্বাধীনতার চেতনা পুনরুদ্ধারের আহ্বান, দেশকে আবার মুক্ত করার অঙ্গীকার।
*শাটডাউন অন্যায়ের বিরুদ্ধে সর্বাত্মক প্রতিরোধ*
১৬ ও ১৭ নভেম্বরের শাটডাউন কর্মসূচি জাতীয় সংগ্রামের এক নতুন ধাপ। এটি কেবল পরিবহন বন্ধের আহ্বান নয়—এটি এক সর্বাত্মক প্রতিরোধ, অন্যায়ের বিরুদ্ধে জনগণের গণঅবস্থান। রাজধানী থেকে প্রত্যন্ত অঞ্চলে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে জনগণ রাস্তায় নেমে জানিয়ে দিচ্ছে:
“বাংলাদেশ কোনো বিদেশি প্রভাবের উপনিবেশ নয় এই দেশের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করবে এই দেশের জনগণ।”
এই শাটডাউন হচ্ছে নীরব অথচ দৃঢ় একটি গণবার্তা—জনগণ আর অন্যায়, ভয়, নিপীড়ন বা মিথ্যা রায়ের কাছে মাথা নত করবে না।
*একদফা চূড়ান্ত লক্ষ্য ইউনূসের পতন*
আওয়ামী লীগের আন্দোলনের লক্ষ্য এখন একদম স্পষ্ট একদফা, ইউনূসের পদত্যাগ ও পতন।
জনগণ আর প্রতারণার রাজনীতি সহ্য করতে রাজি নয়। দেশের স্বাধীনতার চেতনাকে যারা বিদেশি স্বার্থে বন্ধক রেখেছে, তাদের বিদায় এখন সময়ের দাবি। আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে গড়ে ওঠা এই আন্দোলন কেবল সরকারের পরিবর্তনের নয়—এটি হচ্ছে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা পুনরুদ্ধারের এক ঐতিহাসিক লড়াই।
অবৈধ আইসিটি কোর্টে শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে প্রহসনমূলক রায় ঘোষণার দিন ধার্য হবার পর জনমনে ক্ষোভের আগুন ছড়িয়ে পড়েছে। জনগণ এই রায়কে প্রত্যাখ্যান করেছে। তাদের একটাই স্লোগান—“বঙ্গবন্ধুর কন্যার প্রতি অন্যায়ের বিচার হবে রাস্তায়, জনগণের আদালতে।”
বাংলাদেশের মাটি আজ আবারও আন্দোলনের উত্তাপে জ্বলছে। শহর থেকে গ্রাম, নদী থেকে সীমান্ত—সবখানে একটাই উচ্চারণ দেশ বাঁচাও, স্বাধীনতা রক্ষা করো, একদফা বাস্তবায়ন করো।