নিউজ ডেস্ক :: বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক অস্তিত্ব আজ এক কঠিন পরীক্ষার মুখে দাঁড়িয়ে। একতরফা, প্রশ্নবিদ্ধ এবং জনগণের অংশগ্রহণবিহীন কোনো নির্বাচন—এই জাতি মেনে নেয় না, মেনে নেবে না। ক্ষমতার বৈধতা জনগণের হাতে জন্ম নেয়; কাগজে লেখা একতরফা ব্যালট সেই বৈধতা তৈরি করতে পারে না।
আমরা পরিষ্কার ভাষায় ঘোষণা দিচ্ছি—
নাগরিকের ভোটাধিকার কেড়ে নেওয়া হবে না, হতে দেওয়া হবে না।
গণতন্ত্রকে উপহাস করার যে সাহস দেখানো হচ্ছে—তার বিরুদ্ধে জনমতের প্রতিরোধ গড়ে উঠছেই।
বাংলাদেশের মানুষ শান্তিপূর্ণভাবে অধিকার রক্ষা করতে জানে। এই দেশের জনগণ মাথা নত করে না—
অন্যায়ের কাছে নয়, অবৈধতার কাছে নয়, কোনো অগণতান্ত্রিক চাপের কাছে নয়।
আজ যেটি স্পষ্ট—
জনগণের অংশগ্রহণ ছাড়া, জনগণের অনুমতি ছাড়া গঠিত কোনো ক্ষমতা—নৈতিক, রাজনৈতিক বা গণতান্ত্রিক—কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।
এই ঘোষণা দলের নয়—
এটি রাষ্ট্র ও জনগণের মধ্যকার সামাজিক চুক্তির পুনঃনিশ্চিতকরণ।
ভোট অধিকারহীন রাষ্ট্র গণতন্ত্র নয়; এটি একটি সংকট, এবং সেই সংকটের বিরুদ্ধে জনগণের অবস্থান ন্যায়সঙ্গত।
আমরা দৃঢ়ভাবে বলছি—
এক দফা—জনগণের ভোটের অধিকার নিশ্চিত করতে হবে।
এক দাবি—গণতন্ত্রের পথে ফেরত যেতে হবে।
অবস্থান স্পষ্ট:
শান্তিপূর্ণ, আইনসম্মত, সংগঠিত জনচাপই আজ সময়ের দাবি।
কারণ জনগণের ঐক্যই যে কোনো অবৈধ প্রভাবকে চ্যালেঞ্জ করার সর্বোচ্চ শক্তি।
ইতিহাস বলে—
গণমানুষের কণ্ঠ দমিয়ে রাখা যায় না,
গণতন্ত্রকে দীর্ঘদিন আটকে রাখা যায় না,
এবং জনগণের অধিকারের বিরুদ্ধে দাঁড়ানো কেউই টিকে থাকে না।
বাংলাদেশ আবার একটি সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে—
অধিকার রক্ষার, ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার, এবং জনগণের ইচ্ছাকে রাষ্ট্রের মূলভিত্তি হিসেবে ফিরিয়ে আনার মুহূর্ত এখন।
আমাদের ঘোষণাই চূড়ান্ত—
একতরফা নির্বাচন বাংলাদেশে চলবে না।
গণতন্ত্রই হবে রাষ্ট্র পরিচালনার একমাত্র পথ।