নিউজ ডেস্ক:: যেকোনো পরিস্থিতিতে সহকর্মীর পাশে দাঁড়ানো এখন সময়ের দাবি। সংগ্রাম ও প্রতিরোধের ময়দানে একে অপরকে একা ফেলে দিলে শত্রুপক্ষ শক্তি সঞ্চয় করবে। আর এটাই বিএনপি-জামায়াত ঘাতক চক্রের কৌশল—ভয় দেখানো, আতঙ্ক ছড়ানো এবং ভিন্নমতকে বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া।
কিন্তু মনে রাখতে হবে ওরা ভীত, আতঙ্কিত এবং সংখ্যায় অনেক কম। তাদের পাশে জনগণ নেই, নেই জনআস্থা। তাদের পেছনে শুধু ভাড়াটে সন্ত্রাসী বাহিনী আর বিদেশি প্রভুদের নির্দেশ। অন্যদিকে আওয়ামী লীগের শক্তি হলো জনগণ, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা এবং সংগঠিত প্রতিরোধ।
আজ আমাদের সবচেয়ে বড় দায়িত্ব হলো ঐক্য বজায় রাখা। সহকর্মীর পাশে থাকা মানেই দেশের পাশে থাকা, গণতন্ত্রের পাশে থাকা, বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ও শেখ হাসিনার নেতৃত্বের পাশে থাকা। জনগণ আমাদের সঙ্গে আছে—তাই কোনো ষড়যন্ত্র, কোনো ভয় দেখানো, কোনো সন্ত্রাসই আমাদের দমাতে পারবে না।
ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধই বিএনপি-জামায়াতের সব ষড়যন্ত্রের জবাব। আমরা যদি সহকর্মীর পাশে থাকি, তবে এদেশে কোনো অন্ধকার শক্তি আর মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে পারবে না।