ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণ বাজানোকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থী গ্রেফতার: ছাত্রলীগের তীব্র প্রতিবাদ,

লেখক: সুবির দে,
প্রকাশ: ১ মাস আগে

দিনপত্র ডেস্ক :: ঢাকায় ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণ বাজানোকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থী গ্রেফতার ও হামলার ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ। সংগঠনটি দাবি করেছে, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ই মার্চের ভাষণ বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রাম ও রাষ্ট্রগঠনের ইতিহাসে এক অনন্য দলিল, যা জাতীয় চেতনাকে ধারণ করে।
রবিবার (৯ মার্চ) বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদের পক্ষ থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতে বলা হয়, সংবিধানের ১৫০(২) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী ৭ই মার্চের ভাষণ একটি ঐতিহাসিক দলিল হিসেবে স্বীকৃত। এই ভাষণকে অবমাননা করা বা এর প্রচার বাধাগ্রস্ত করার যে কোনো চেষ্টা ইতিহাসবিরোধী ও সাংবিধানিক চেতনার পরিপন্থী।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ঢাকায় ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণ বাজানোর অভিযোগে সাধারণ শিক্ষার্থীদের শাহবাগ থানা পুলিশ গ্রেফতার করেছে। এর আগে তাদের ওপর হামলা ও শারীরিক নির্যাতনের অভিযোগও তোলা হয়েছে। ছাত্রলীগের মতে, এই ঘটনা আইনের শাসন, নাগরিক অধিকার ও জাতীয় ইতিহাসের প্রতি এক ন্যাক্কারজনক আঘাত।
সংগঠনটি দাবি করে, অতীতেও বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের সময় দেশে মব কালচার, ইতিহাস বিকৃতি এবং মুক্তিযুদ্ধের চেতনাবিরোধী নানা কর্মকাণ্ড সংগঠিত হয়েছিল। তবে বঙ্গবন্ধু ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে মুছে ফেলার সব প্রচেষ্টা অতীতে যেমন ব্যর্থ হয়েছে, ভবিষ্যতেও ব্যর্থ হবে।
বাংলাদেশ ছাত্রলীগ অবিলম্বে গ্রেফতার হওয়া সাধারণ শিক্ষার্থীদের নিঃশর্ত মুক্তি দাবি করেছে এবং হামলাকারীদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণ বাঙালি জাতির আত্মপরিচয়, স্বাধীনতার চেতনা ও রাষ্ট্রগঠনের ইতিহাসের অবিচ্ছেদ্য অংশ। কোনো দমন-পীড়ন বা মব সহিংসতার মাধ্যমে এই ভাষণের প্রচার বন্ধ করা যাবে না।
বিবৃতিতে স্বাক্ষর করেন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন এবং সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ ইনান।