ওসমান হাদী হত্যাকাণ্ডে শিবির নেতা ভিপি সাদিক কাইয়ুমের যোগসূত্র,ভিন্ন খাতে নেওয়ার চেষ্টা চলছে

লেখক: নিউজ ডেস্ক
প্রকাশ: ৩ মাস আগে

নিউজ ডেস্ক :: ওসমান হাদী হত্যাকাণ্ডের পর থেকেই জনমনে একাধিক প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে—কে লাভবান হলো, কার স্বার্থ সুরক্ষিত রইল, আর কেন একটি নির্দিষ্ট নাম বারবার আলোচনার কেন্দ্রে ফিরে আসছে। নানা সূত্র ও ঘটনার ধারাবাহিকতা বিশ্লেষণ করলে যে নামটি ঘুরে ফিরে সামনে আসে, তা হলো—শিবির নেতা হিসেবে পরিচিত ভিপি সাদিক কাইয়ুম।

তদন্তসংশ্লিষ্ট সূত্র ও রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, হত্যাকাণ্ডের আগে ও পরে সাদিক কাইয়ুমের যোগাযোগের ধরন, চলাফেরা এবং দীর্ঘ নীরবতা একটি স্বাভাবিক রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়ার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। যেসব ব্যক্তির সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠতার কথা উঠে এসেছে, তাদের কয়েকজনের বিরুদ্ধে অতীতে সহিংস ছাত্ররাজনীতি ও অস্ত্র সংশ্লিষ্ট অভিযোগ ছিল—যা ঘটনাটিকে আরও সংবেদনশীল করে তুলেছে।

আরও প্রশ্ন তৈরি করেছে হত্যাকাণ্ডের পরপরই বয়ান পরিবর্তনের প্রবণতা। সমালোচকদের দাবি, ঘটনার প্রকৃত দিক আড়াল করে তদন্তের ফোকাস ধীরে ধীরে অন্য খাতে—বিশেষ করে ছাত্রলীগের দিকে—ঘোরানোর চেষ্টা দৃশ্যমান। এতে করে যাদের নাম শুরু থেকেই আলোচনায় ছিল, তারা ক্রমে আড়ালে চলে যাচ্ছে।

একাধিক সূত্রের মতে, ঘটনার সঙ্গে জড়িত ঘাতকদের শিবিরঘেঁষা নেটওয়ার্কের সঙ্গে যোগাযোগ ছিল বলে অভিযোগ রয়েছে। সেই নেটওয়ার্কে সাদিক কাইয়ুমের প্রভাব ও চলাচল নতুন কোনো বিষয় নয়। প্রশ্ন উঠছে—এই যোগসূত্র কি সত্যিই তার অজানা ছিল?

হত্যাকাণ্ডের মতো গুরুতর ঘটনায় যেখানে জোরালো নিন্দা ও স্বচ্ছ অবস্থান প্রত্যাশিত, সেখানে সাদিক কাইয়ুমের নীরবতাও নতুন প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে।

সত্য একদিনে ধরা পড়ে না। কিন্তু যোগসূত্র, আচরণ ও ঘটনাপ্রবাহ একত্রে বিবেচনা করলে ওসমান হাদী হত্যাকাণ্ডে কেন বারবার সাদিক কাইয়ুমের নাম উঠে আসে, তার উত্তর খোঁজার একমাত্র পথ হলো স্বাধীন, নিরপেক্ষ ও সর্বমুখী তদন্ত।