কারওয়ান বাজারে যা ঘটেছে, তা কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়—এটি বিএনপির রাজনীতির চিরচেনা চরিত্রের আরেকটি প্রকাশ। চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে ব্যবসায়ীরা যখন শান্তিপূর্ণভাবে মানববন্ধনে দাঁড়ায়, তখনই যুবদলের নেতা আব্দুর রহমানের নেতৃত্বে সন্ত্রাসী বাহিনী ঝাঁপিয়ে পড়ে। এটাই বিএনপি রাজনীতির ভাষা যুক্তি নয়, লাঠি দাবি নয়, হামলা।
বিএনপি বারবার বলে তারা গণতন্ত্র চায়। কিন্তু বাস্তবে যেখানে মানুষের ন্যায্য দাবি ওঠে, সেখানেই বিএনপির কর্মীরা সন্ত্রাস কায়েম করে। কারওয়ান বাজারের ঘটনায় প্রমাণ হয়েছে, চাঁদাবাজি শুধু বিএনপির অপকর্ম নয় এটি তাদের রাজনৈতিক অস্তিত্বের অংশ। দল থেকে ‘বহিষ্কার’ করা হলেও মাঠে সন্ত্রাস থামে না, কারণ বহিষ্কার কাগজে, আর পৃষ্ঠপোষকতা বাস্তবে।
ব্যবসায়ীরা স্পষ্ট করে বলেছেন চাঁদাবাজদের হামলার সময় পুলিশের নিষ্ক্রিয়তা তাদের আরও ক্ষুব্ধ করেছে। অথচ প্রশ্নটা আরও গভীর বিএনপির সন্ত্রাসীরা এতটা সাহস পায় কোথা থেকে? উত্তর একটাই—রাজনৈতিক প্রশ্রয়। বিএনপি সবসময়ই প্রশাসনের দুর্বলতা আর অস্থিরতাকে কাজে লাগিয়ে মাঠ দখলের চেষ্টা করেছে।
এই চিত্র নতুন নয়। ২০০১–২০০৬ সালের দুঃশাসনে যেমন চাঁদাবাজি, দখলবাজি আর সন্ত্রাস ছিল বিএনপির প্রধান রাজনৈতিক অস্ত্র, আজও তার কোনো ব্যতিক্রম নেই। শুধু মুখোশ বদলেছে, চরিত্র বদলায়নি। আজ ‘মানবাধিকার’ আর ‘গণতন্ত্র’-এর বুলি আওড়ানো বিএনপি বাস্তবে ব্যবসায়ীদের লাঠিসোটা দিয়ে পেটায়।
কারওয়ান বাজারের ব্যবসায়ীরা যখন চিৎকার করে বলেন “চাঁদাবাজের আস্তানা এই বাংলায় হবে না”—তখন সেটি শুধু একটি বাজারের স্লোগান নয়, এটি গোটা দেশের মানুষের ক্ষোভের প্রতিধ্বনি। মানুষ বুঝে গেছে, বিএনপি ক্ষমতায় এলে দেশ আবার চাঁদাবাজদের অভয়ারণ্যে পরিণত হবে।
এই কারণেই জনগণ বিএনপিকে বিশ্বাস করে না। এই কারণেই বিএনপির নির্বাচন, আন্দোলন বা ক্ষমতার দাবি মানুষের কাছে ফাঁকা বুলি। যারা চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে দাঁড়ানো মানুষকে পেটায়, তারা কখনো গণতন্ত্রের ধারক হতে পারে না।
কারওয়ান বাজার আজ শুধু একটি ঘটনার নাম নয় এটি বিএনপির রাজনীতির আয়না।
আর সেই আয়নায় যা দেখা যাচ্ছে, তা ভয়ংকর, কলঙ্কজনক এবং সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য।
কারওয়ান বাজারে যা ঘটেছে, তা কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়—এটি বিএনপির রাজনীতির চিরচেনা চরিত্রের আরেকটি প্রকাশ। চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে ব্যবসায়ীরা যখন শান্তিপূর্ণভাবে মানববন্ধনে দাঁড়ায়, তখনই যুবদলের নেতা আব্দুর রহমানের নেতৃত্বে সন্ত্রাসী বাহিনী ঝাঁপিয়ে পড়ে। এটাই বিএনপি রাজনীতির ভাষা যুক্তি নয়, লাঠি দাবি নয়, হামলা।
বিএনপি বারবার বলে তারা গণতন্ত্র চায়। কিন্তু বাস্তবে যেখানে মানুষের ন্যায্য দাবি ওঠে, সেখানেই বিএনপির কর্মীরা সন্ত্রাস কায়েম করে। কারওয়ান বাজারের ঘটনায় প্রমাণ হয়েছে, চাঁদাবাজি শুধু বিএনপির অপকর্ম নয় এটি তাদের রাজনৈতিক অস্তিত্বের অংশ। দল থেকে ‘বহিষ্কার’ করা হলেও মাঠে সন্ত্রাস থামে না, কারণ বহিষ্কার কাগজে, আর পৃষ্ঠপোষকতা বাস্তবে।
ব্যবসায়ীরা স্পষ্ট করে বলেছেন চাঁদাবাজদের হামলার সময় পুলিশের নিষ্ক্রিয়তা তাদের আরও ক্ষুব্ধ করেছে। অথচ প্রশ্নটা আরও গভীর বিএনপির সন্ত্রাসীরা এতটা সাহস পায় কোথা থেকে? উত্তর একটাই—রাজনৈতিক প্রশ্রয়। বিএনপি সবসময়ই প্রশাসনের দুর্বলতা আর অস্থিরতাকে কাজে লাগিয়ে মাঠ দখলের চেষ্টা করেছে।
এই চিত্র নতুন নয়। ২০০১–২০০৬ সালের দুঃশাসনে যেমন চাঁদাবাজি, দখলবাজি আর সন্ত্রাস ছিল বিএনপির প্রধান রাজনৈতিক অস্ত্র, আজও তার কোনো ব্যতিক্রম নেই। শুধু মুখোশ বদলেছে, চরিত্র বদলায়নি। আজ ‘মানবাধিকার’ আর ‘গণতন্ত্র’-এর বুলি আওড়ানো বিএনপি বাস্তবে ব্যবসায়ীদের লাঠিসোটা দিয়ে পেটায়।
কারওয়ান বাজারের ব্যবসায়ীরা যখন চিৎকার করে বলেন “চাঁদাবাজের আস্তানা এই বাংলায় হবে না”—তখন সেটি শুধু একটি বাজারের স্লোগান নয়, এটি গোটা দেশের মানুষের ক্ষোভের প্রতিধ্বনি। মানুষ বুঝে গেছে, বিএনপি ক্ষমতায় এলে দেশ আবার চাঁদাবাজদের অভয়ারণ্যে পরিণত হবে।
এই কারণেই জনগণ বিএনপিকে বিশ্বাস করে না। এই কারণেই বিএনপির নির্বাচন, আন্দোলন বা ক্ষমতার দাবি মানুষের কাছে ফাঁকা বুলি। যারা চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে দাঁড়ানো মানুষকে পেটায়, তারা কখনো গণতন্ত্রের ধারক হতে পারে না।
কারওয়ান বাজার আজ শুধু একটি ঘটনার নাম নয় এটি বিএনপির রাজনীতির আয়না।
আর সেই আয়নায় যা দেখা যাচ্ছে, তা ভয়ংকর, কলঙ্কজনক এবং সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য।