জাকাত‑নির্ভর ভিক্ষুক‑রাষ্ট্র নয় উৎপাদনমুখী স্বনির্ভর বাংলাদেশ চাই

লেখক: নিউজ ডেস্ক
প্রকাশ: ৫ মাস আগে

নিউজ ডেস্ক :: সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রে জামাতের নায়েবে আমির সৈয়দ তাহের এক বিতর্কিত মন্তব্য করেছেন। তিনি ঘোষণা করেছেনক্ষমতায় এলে তারা রাষ্ট্র পরিচালনা করবেন জাকাত ও বিদেশি অনুদানের ওপর নির্ভর করে। স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক সূত্র অনুযায়ী, এটি পাকিস্তানের অর্থনৈতিক মডেলের একটি প্রতিচ্ছবি যেখানে বিদেশে থাকা মানুষের আয় ও ভিক্ষুকের অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা হয়, আর মুসলিম দেশ থেকে প্রাপ্ত জাকাত ফান্ড প্রধান আয়ের উৎস হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

বিশ্লেষকরা সতর্ক করেছেন, জামাত ক্ষমতায় এলে দেশের বিশাল জনগোষ্ঠী জাকাত-নির্ভর অবস্থায় ঠেলা হবে। সংক্ষেপে বলা যায়“অর্ধেক মানুষকে ভিক্ষুক বানিয়ে জাকাতের ফান্ড পেতে হবে।” এই নীতি বাস্তবায়িত হলে শ্রমশক্তি স্তব্ধ হবে, উৎপাদন হ্রাস পাবে, দেশের অর্থনীতি অস্থিতিশীল হবে, এবং দেশের আত্মসম্মানও ক্ষুণ্ণ হবে।

উদ্বেগজনক দিক হলো জামাতের নীতি অনুযায়ী ৫০ লাখ প্রস্তত জঙ্গি ভারতের বিরুদ্ধে লড়াই করার পরিকল্পনায় রয়েছে। এটি দেশের জাতীয় নিরাপত্তার জন্য মারাত্মক হুমকি।

সুশীল সমাজের মতে, জামাতের এই নীতিগত পরিকল্পনা দেশের দারিদ্র্য বৃদ্ধি করবে, মানুষের স্বনির্ভরতা ধ্বংস করবে এবং অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতাকে বিপন্ন করবে।

জনগণের মর্যাদা ও অর্থনৈতিক স্বনির্ভরতা এগুলো দেশের স্থিতিশীলতা রক্ষার মূল ভিত্তি।

জাকাত-নির্ভর অর্থনীতির নীলনকশা বাস্তবায়িত হলে দেশকে আরও গরীব করে পাকিস্তানের চেয়ে পিছিয়ে রাখা হবে। তারা জনসংখ্যার বৃহৎ অংশকে জাকাত-নির্ভর করে “ভিক্ষুক” বানিয়ে নেবে। শিল্প-প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে সম্পূর্ণভাবে ভিক্ষা ও বহিঃস্থ অনুদানের ওপর নির্ভরশীল রাষ্ট্র গড়ার এই তৎপরতা দেশের উৎপাদনশীলতা ধ্বংস করবে, কর্মসংস্থান ক্ষতিগ্রস্ত করবে এবং সামাজিক মর্যাদা বিশৃঙ্খলে ফেলবে।
জামাত দেশের অর্থনীতি ধ্বংসের কারিগর ভবিষ্যতে তারা জাকাত‑নির্ভর, ভিক্ষুক-আধারিত রাষ্ট্র গড়ার পরিকল্পনা করেছে দাবী উঠেছে জামাত প্রতিহত কর দেশকে ভিক্ষুক রাষ্ট্র বানাতে দেবো না।