জেলখানায় আওয়ামী লীগ কর্মী হানিফ ভূঁইয়ার মৃত্যু,সরকারের নিষ্ঠুর নির্যাতনের দৃষ্টান্ত

লেখক: নিউজ ডেস্ক
প্রকাশ: ৫ মাস আগে

নিউজ ডেস্ক :: গোপালগঞ্জের চন্দ্রদিঘলিয়া ইউনিয়নের নতুনচর ভুইয়া পাড়ার বাসিন্দা ও নিবেদিতপ্রাণ আওয়ামী লীগ কর্মী মোঃ হানিফ ভূঁইয়া আজ দুপুর সাড়ে বারোটার দিকে বাগেরহাট জেলা কারাগারে বিনা চিকিৎসায় মৃত্যু বরণ করেছেন।

এই মৃত্যু কেবল একটি ব্যক্তির প্রাণহানি নয় এটি বর্তমান প্রশাসনের রাষ্ট্রীয় নির্যাতন ও প্রতিহিংসার নগ্ন বহিঃপ্রকাশ।

মোঃ হানিফ ভূঁইয়া ছিলেন দলের জন্য নিবেদিতপ্রাণ মাঠকর্মী। অথচ তাঁকে ঘৃণ্যভাবে মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে জেলে পাঠানো হয়। পরিবার ও সহকর্মীদের ভাষ্যমতে, তাঁকে গ্রেফতারের পর থেকেই শারীরিক ও মানসিকভাবে অমানবিক নির্যাতন চালানো হয়। জেলখানায় অসুস্থ হয়ে পড়লেও তাঁকে হাসপাতালে নেওয়া তো দূরের কথা—একবিন্দু চিকিৎসা দেওয়া হয়নি।

দেশজুড়ে এখন এক বিভীষিকাময় অবস্থা। আওয়ামী লীগ কর্মী ও সমর্থকদের ওপর চলছে এক নিরব জেল হত্যা অভিযান। প্রশাসনের অংশবিশেষ ও কারাগার কর্তৃপক্ষ আজ নির্যাতনের হাতিয়ারে পরিণত হয়েছে। আইন-আদালত নীরব, মানবাধিকার সংস্থাগুলো ভীত—এ যেন স্বাধীনতার বাংলাদেশে নতুন এক “নির্যাতন শাসনব্যবস্থা”।

যেখানে আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের হত্যা করা হচ্ছে, সেখানে হত্যাকারীদের বিরুদ্ধে মামলা হয় না, পরিবার বিচার চাইতে সাহস পায় না। প্রশাসন আজ ভয়ংকরভাবে পক্ষপাতদুষ্ট, সেনা ও পুলিশ বাহিনী অনেক ক্ষেত্রে নির্যাতনের অংশীদার। ফলে রাজনৈতিক প্রতিশোধ এখন আইনের ছদ্মবেশে চলছে—যা একটি রাষ্ট্রের জন্য সর্বনাশের ইঙ্গিত।

মোঃ হানিফ ভূঁইয়ার মৃত্যু শুধু একটি পরিবারের কান্না নয়—এটি বাংলাদেশের গণতন্ত্র ও মানবাধিকারের কবরফলক।
একজন নিরপরাধ রাজনৈতিক কর্মীকে বিনা চিকিৎসায় মৃত্যুর মুখে ঠেলে দেওয়া মানে—রাষ্ট্র নিজেই তার নাগরিকের জীবনহানির দায় নিচ্ছে।
দেশের মানুষ জানতে চায় এই হত্যার দায় কে নেবে? কেন অসুস্থ বন্দীকে চিকিৎসা দেওয়া হলো না? কেন একজন সাধারণ রাজনৈতিক কর্মীকে এত নির্মমভাবে মেরে ফেলা হলো?

আজ সময় এসেছে স্পষ্ট করে বলার এই মৃত্যু দুর্ঘটনা নয়, এটি পরিকল্পিত জেল হত্যা।