নিউজ ডেস্ক :: ড. ইউনুস গত এক বছরে বিদেশে বসে মিথ্যাচার করে দেশের ভাবমূর্তি নষ্ট করেছেন। তিনি ভারত বিরোধী বক্তব্য দিয়ে দেশের শত্রু সৃষ্টি করেছেন, ভারতবিরোধী জঙ্গিদের ঐক্যবদ্ধ করেছেন এবং মৌলবাদী শক্তিকে পৃষ্ঠপোষকতা দিয়েছেন। স্বাধীনতার পক্ষের দল আওয়ামী লীগ ও দেশপ্রেমিক রাজনৈতিক দলগুলোর বিরুদ্ধে ভিত্তিহীন অভিযোগ ছড়িয়ে কার্যক্রম বন্ধ করে রেখেছেন, অথচ বিদেশে গিয়ে এসব অস্বীকার করেছেন। দেশের ভেতর হত্যাকাণ্ড, গুম ও খুনের ঘটনায় জড়িতদের সরকারিভাবে পৃষ্ঠপোষকতা দেওয়া হচ্ছে, অথচ বিভ্রান্তিমূলক মিথ্যাচার চালানো হচ্ছে।
ড. ইউনুসের পৃষ্ঠপোষকতায় জঙ্গি ও উগ্রবাদের জন্য বাংলাদেশ এখন নিরাপদ স্থান। দেশের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা নষ্ট হয়েছে এবং জনগণের আস্থা ক্ষুণ্ণ হয়েছে। একই সময়ে তার মেটিকুলাস পরিকল্পনা দেশের অর্থনীতিতে গুরুতর প্রভাব ফেলেছে। বেকারত্ব বৃদ্ধি পেয়েছে, যুবসমাজের কর্মসংস্থানের সুযোগ কমেছে, উন্নয়ন প্রক্রিয়া ব্যাহত হয়েছে এবং সরকারি প্রকল্পে অনিয়ম ও দুর্নীতির সুযোগ বেড়েছে। এর ফলে সাধারণ মানুষের আয়ের স্তর কমেছে এবং জীবনযাত্রার মানের উপর নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে।
নিরাপত্তার ক্ষেত্রেও তার কার্যক্রম হুমকিস্বরূপ। পাহাড়ী জেলায় পরিকল্পিত হামলা এবং জঙ্গি ও উগ্রবাদ উসকানি দেশের ভৌগোলিক অখণ্ডতা ও সীমান্ত নিরাপত্তাকে ঝুঁকির মধ্যে ফেলেছে। এর প্রভাব সামাজিক অস্থিরতা বৃদ্ধি করেছে এবং বিদেশি বিনিয়োগে নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। বিদেশে গিয়ে ড. ইউনুস দেশের অর্জন বিসর্জন দিয়ে পশ্চিমা শক্তির স্বার্থকে প্রাধান্য দিয়েছেন, যা জাতীয় কূটনৈতিক অবস্থান দুর্বল করেছে এবং দেশের সার্বভৌমত্বের প্রশ্ন তুলেছে।
এক বছরের শাসনের সময় ড. ইউনুস দেশের অর্থনীতি ক্ষতিগ্রস্ত করেছেন, রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা বাড়িয়েছেন, নিরাপত্তার হুমকি প্রকট করেছেন এবং আন্তর্জাতিক স্বার্থকে দেশের স্বার্থের উপরে তুলে দেশের অর্জন ক্ষুণ্ণ করেছেন। দেশের ভবিষ্যৎ ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার জন্য দেশপ্রেমিক নাগরিকদের জন্য এটি একটি সতর্কবার্তা যে, বিদেশি স্বার্থে দেশের অর্জন বিসর্জন দিয়ে কোনো অসৎ কর্মকাণ্ডকে প্রশ্রয় দেওয়া যাবে না।