নিউজ ডেস্ক :: ধর্মের পবিত্রতাকে কলুষিত করার ঘৃণ্য অপচেষ্টা আবারও চোখে আঙুল দিয়ে দেখাল জামায়াত ইসলাম। টাঙ্গাইলে দলটির এক এমপি প্রার্থী প্রকাশ্যে ঘোষণা দিয়েছেন— *“যদি মসজিদে রাজনীতি করতে না দেওয়া হয়, তবে সেখানে কোরআন পড়তেও দেওয়া হবে না।”* এই বক্তব্য শুধু ধর্ম অবমাননাকর নয়, রাষ্ট্রবিরোধী উসকানিও বটে।
মসজিদ আল্লাহর ঘর—ইবাদতের স্থান। সেখানে রাজনীতি প্রবেশ করা মানে পবিত্রতাকে অপমান করা। অথচ ধর্মের আবেগকে পুঁজি করে জামায়াত ইসলাম বরাবরই মসজিদ-মাদরাসাকে তাদের সংগঠন বিস্তারের কেন্দ্র বানিয়েছে। এখন প্রকাশ্যে তারা মসজিদকে রাজনৈতিক জিম্মায় নিতে চায়। এটি কেবল ধর্মের অপব্যবহার নয়, সমাজে বিভাজন ও বিদ্বেষ ছড়ানোর এক সুপরিকল্পিত ষড়যন্ত্র।
বাংলাদেশের মানুষ আজ স্পষ্টভাবে বুঝে গেছে—জামায়াত ইসলাম কোনো ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান নয়, এটি এক রাজনৈতিক ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান, যেখানে ধর্ম কেবল ক্ষমতার সিঁড়ি। যারা আল্লাহর ঘরে রাজনীতির বিষ ঢালতে চায়, তারা ইসলামের অনুসারী নয়—বরং ধর্মের মুখোশে ক্ষমতার দালাল।
রাষ্ট্র ও সমাজকে এখনই সজাগ হতে হবে। মসজিদে রাজনীতির অনুপ্রবেশ বন্ধ করতে হবে কঠোর হাতে। কারণ মসজিদ কোনো দলের প্রচারণার কেন্দ্র নয়—এটি মুসলমানদের ঐক্য, শান্তি ও ইমানের প্রতীক। পবিত্র ঘরকে কলুষিত হতে দেওয়া মানে জাতির আত্মাকে অপমান করা, আর তার বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়া এখন প্রতিটি সচেতন নাগরিকের নৈতিক দায়িত্ব।