ধর্মের বাণী মুখে, পাপাচারে জীবন জামায়াত নেতার আসল রূপ

লেখক: নিউজ ডেস্ক
প্রকাশ: ৬ মাস আগে

নিউজ ডেস্ক:: ধর্মের নাম করে মানুষের মনে ভণ্ডামির বীজ বপন করা জামায়াতের পুরনো কৌশল। নামাজে ইমামতি, মুখে আল্লাহ-রাসুলের বাণী, আর বাস্তবে পাপাচার ও অনৈতিকতায় ডুবে থাকা এই দ্বিচারিতা এখন উন্মোচিত হয়েছে রাজশাহীর বাঘা উপজেলার বাউশা ইউনিয়নে। স্থানীয় জামায়াত সেক্রেটারি ও মসজিদের ইমাম মো. শামসুল ইসলামের বিরুদ্ধে নারীঘটিত কেলেঙ্কারির অভিযোগ সেই ভয়াবহ ভণ্ডামির প্রতিচ্ছবি।

অভিযোগ অনুযায়ী, সমাজে নৈতিকতার ভাষণ দেওয়া এই ইমাম-নেতা স্থানীয় আনসার সদস্য মো. রুবেল হোসেনের স্ত্রী লামিয়া আশরাফীর সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্ক গড়ে তোলেন এবং এক পর্যায়ে তাকে নিয়ে পালিয়ে যান। যে মানুষ প্রতিদিন নামাজে দাঁড়িয়ে “সততা ও পরহেজগারির” শিক্ষা দেন, তিনি-ই আবার অন্যের ঘর ভেঙে নিজের নোংরা ইচ্ছা চরিতার্থ করেন।

এমন মানুষই কি সমাজের আদর্শ? এরা কি সত্যিই ধর্মপ্রাণ, নাকি ধর্মের নাম বিক্রি করে নিজেদের ভণ্ডামি লুকিয়ে রাখা একেকজন ব্যবসায়ী? জামায়াতের নেতাদের আচরণ প্রমাণ করে—তাদের কাছে ধর্ম কেবলই ক্ষমতা ও প্রভাব বিস্তারের হাতিয়ার। একদিকে মুক্তিযুদ্ধবিরোধী রাজনীতি, অন্যদিকে সন্ত্রাস-জঙ্গিবাদের মদদ; আর ব্যক্তিগত জীবনে অনৈতিক সম্পর্ক এই হলো তাদের আসল রূপ।

সমাজ আজ বুঝতে শিখেছে—যারা মুখে ধর্মের বুলি ঝাড়ে, তারাই আসলে সবচেয়ে বড় ভণ্ড। বাউশার এই ইমাম দেখিয়ে দিলেন, জামায়াতের আসল চেহারা কতটা কলঙ্কিত।

ধর্ম কখনো অনাচার শেখায় না, বরং শেখায় ন্যায়, সততা ও মানবিকতা। কিন্তু ধর্মব্যবসায়ীরা ধর্মকে ব্যবহার করছে নিজেদের পাপ ঢাকার ঢাল হিসেবে। এরা যতদিন সমাজে প্রভাব বিস্তার করবে, ততদিন অনাচার ও প্রতারণা ছড়িয়ে পড়বে।

বাউশার ঘটনার শিক্ষা একটাই ধর্মের মুখোশ পরে যারা পাপাচার করে বেড়ায়, তাদের প্রতি ঘৃণা ছড়িয়ে দিতে হবে সর্বত্র। সমাজকে মুক্ত করতে হবে এই ভণ্ড ধর্মব্যবসায়ীদের হাত থেকে।