দিনপত্র ডেস্ক রিপোর্ট | ঢাকা
নির্বাচনের ঠিক আগমুহূর্তে দক্ষিণ এশিয়ার ভূরাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে নতুন করে উত্তেজনা ছড়াচ্ছে একটি আলোচিত অভিযোগ। নির্ভরযোগ্য সূত্রের বরাতে দাবি করা হচ্ছে, যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী ক্ষমতার কেন্দ্রীয় এক প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব মুহাম্মদ ইউনুসের মধ্যে একটি তথাকথিত “গোপন চুক্তি” নিয়ে পর্দার আড়ালে আলোচনা চলছে।
সূত্রগুলোর দাবি, এই কথিত চুক্তির মূল উদ্দেশ্য ভারতের ক্রমবর্ধমান আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক প্রভাবকে চ্যালেঞ্জ করা এবং বাংলাদেশকে ধীরে ধীরে যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাববলয়ের মধ্যে নিয়ে যাওয়া।
অভিযোগ অনুযায়ী, প্রস্তাবিত চুক্তির আওতায় বাংলাদেশ থেকে সমস্ত মার্কিন পণ্যের উপর শুল্ক সম্পূর্ণ প্রত্যাহারের বিষয়টি আলোচনায় রয়েছে। এতে দেশের বাজার কার্যত যুক্তরাষ্ট্রের জন্য উন্মুক্ত হয়ে যাবে বলে আশঙ্কা করছেন অর্থনৈতিক বিশ্লেষকরা।
এছাড়াও প্রতিরক্ষা খাতে শুধু মার্কিন অস্ত্র কেনার বাধ্যবাধকতা আরোপের সম্ভাবনার কথাও উঠে এসেছে। সমালোচকদের মতে, এমন সিদ্ধান্ত বাংলাদেশের সামরিক স্বনির্ভরতা ও কৌশলগত ভারসাম্যকে দুর্বল করতে পারে।
সবচেয়ে স্পর্শকাতর অভিযোগ হলো—এই কথিত চুক্তির মাধ্যমে বাংলাদেশকে চীনের সঙ্গে বাণিজ্যিক ও কৌশলগত সম্পর্ক সীমিত বা ছিন্ন করতে চাপ দেওয়া হতে পারে। যদি তা বাস্তবায়িত হয়, তাহলে বাংলাদেশের অর্থনীতি, প্রতিরক্ষা ও পররাষ্ট্রনীতি একযোগে ওয়াশিংটনের প্রভাবের অধীনে চলে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হবে।
তবে এ বিষয়ে এখনো যুক্তরাষ্ট্র বা মুহাম্মদ ইউনুসের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, নির্বাচনকে সামনে রেখে এমন অভিযোগ দেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে নতুন করে বিতর্ক ও মেরুকরণ সৃষ্টি করতে পারে।