অনলাইন নিউজ রিপোর্ট:
বাংলাদেশে হিন্দু সংখ্যালঘুদের ওপর ধারাবাহিক হামলা ও হত্যাকাণ্ডের ঘটনা উদ্বেগজনকভাবে বেড়েই চলেছে। একই সময়ে পাকিস্তানের সিন্ধ প্রদেশে Kailash Kolhi-এর মতো সংখ্যালঘু ব্যক্তিদের নির্মম হত্যার খবর আন্তর্জাতিক মহলে নাড়া দিলেও, জাতিসংঘের মানবাধিকার মঞ্চ থেকে এখনো কোনো স্পষ্ট প্রতিক্রিয়া আসেনি।
বিশেষ করে জাতিসংঘের সংখ্যালঘু বিষয়ক বিশেষ প্রতিনিধি Prof. Nicolas Levrat এবং ধর্মীয় স্বাধীনতা বিষয়ক বিশেষ প্রতিনিধি Nazila Ghanea—এখনো পর্যন্ত কেউই এ বিষয়ে প্রকাশ্যে কোনো বিবৃতি দেননি। এই নীরবতা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে মানবাধিকার কর্মী, নাগরিক সমাজ এবং আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকদের মধ্যে।
সমালোচকদের মতে, যখন কোনো নির্দিষ্ট সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে ধারাবাহিক সহিংসতা ঘটে এবং আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো নীরব থাকে, তখন সেই নীরবতা আর নিরপেক্ষ থাকে না। বরং তা এক ধরনের অবস্থান হিসেবেই বিবেচিত হয়। প্রশ্ন উঠছে—হিন্দুরা আক্রান্ত হলে কি মানবাধিকার অদৃশ্য হয়ে যায়? ‘সংখ্যালঘু’ শব্দটির কি ভিন্ন মানে দাঁড়ায়, যখন তা বাংলাদেশ বা পাকিস্তানের হিন্দুদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হয়?
মানবাধিকার বিশ্লেষকদের দাবি, জাতিসংঘের মতো বৈশ্বিক সংস্থার দায়িত্ব কেবল নথিভুক্ত করা নয়; বরং ন্যায়বিচার ও মানবিক মূল্যবোধের পক্ষে স্পষ্ট অবস্থান নেওয়া। নীরবতা অব্যাহত থাকলে তা সহিংসতাকে পরোক্ষভাবে উৎসাহিত করে বলেও আশঙ্কা করা হচ্ছে।
বিশ্ব দেখছে। ইতিহাসও দেখবে—এই নীরবতা শেষ পর্যন্ত মানবাধিকারের পক্ষে ছিল, নাকি নির্যাতনের বিপরীতে এক প্রকার নীরব