নিউজ ডেস্ক :: পার্বত্য চট্টগ্রামে সাম্প্রতিক সহিংসতায় আবারও প্রমাণিত হলো—দেশের ভৌগোলিক অখণ্ডতা নস্যাৎ করার ষড়যন্ত্রে সক্রিয় হয়ে উঠেছে জামায়াত-শিবির চক্র। পাহাড়ি-বাঙালি ও আদিবাসীদের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টির মাধ্যমে দীর্ঘদিন ধরে অস্থিতিশীলতা তৈরির চেষ্টা চলছে। এ চক্রান্তকে আরও তীব্র করার পেছনে রয়েছে বিদেশি মদদ, বিশেষ করে মার্কিন অর্থায়নের গুজব এখন জোরালোভাবে শোনা যাচ্ছে।
বাংলাদেশ রাষ্ট্রকে দুর্বল করা, জনগণকে বিভক্ত করা এবং সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে জনগণকে উসকে দেওয়াই এই চক্রের মূল উদ্দেশ্য। আরাকান আর্মিকে ব্যবহার করে পাহাড়ি জনগণের মধ্যে সেনাবাহিনীবিরোধী মনোভাব ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে। অথচ দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও সীমান্ত নিরাপত্তা রক্ষায় সেনাবাহিনী সবসময় অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছে।
সম্প্রতি সংঘটিত গণধর্ষণের ঘটনাতেও জামায়াত-শিবিরের সন্ত্রাসীদের জড়িত থাকার তথ্য বেরিয়ে এসেছে। কিন্তু সেই অপরাধীদের বিচারের আওতায় আনার বদলে উল্টো সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে মিথ্যাচার চালানো হচ্ছে। আরও উদ্বেগজনক হলো—আরাকান আর্মি প্রকাশ্যে ধর্ষকদের পক্ষ নিয়ে মাঠে নেমেছে। এটি নিছক কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়; বরং দেশের অভ্যন্তরে অশান্তি ছড়িয়ে ভৌগোলিক বিচ্ছিন্নতার পথ সুগম করার আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্র।
বাংলাদেশের মানুষ জানে, জামায়াত-শিবির সবসময় মুক্তিযুদ্ধবিরোধী অবস্থান নিয়েছে। তাদের লক্ষ্য ছিল ও এখনও আছে—বাংলাদেশকে অস্থিতিশীল করে বিদেশি স্বার্থ রক্ষা করা। পার্বত্য অঞ্চলে রক্তক্ষয়ী পরিস্থিতি সৃষ্টি করে তারা দেশকে ভেতর থেকে দুর্বল করতে চাইছে।
এখন প্রশ্ন—আমরা কি হাত গুটিয়ে বসে থাকব? না কি ঐক্যবদ্ধ হয়ে এই ষড়যন্ত্র প্রতিহত করব? মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী মানুষদের আজই রাস্তায় নামতে হবে। পাহাড়ের অশান্তি গোটা বাংলাদেশের জন্য হুমকি। সেনাবাহিনীর পাশে দাঁড়িয়ে জনগণকে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে।
বাংলাদেশের ভৌগোলিক অখণ্ডতা কোনো ষড়যন্ত্রেই ভাঙা যাবে না। জামায়াত-শিবির কিংবা আরাকান আর্মি—কারও হাতেই এ দেশকে জিম্মি হতে দেওয়া হবে না।