নিউজ ডেস্ক :: বাংলাদেশের পার্বত্য অঞ্চল আজ আবারও একটি ভয়ঙ্কর ষড়যন্ত্রের পরীক্ষাগারে পরিণত হয়েছে। অভিযোগ ওঠেছে—অবৈধ ইউনুস সরকার বিদেশি প্রভুদের নির্দেশে একটি “মেটিকুলাস ডিজাইন” বাস্তবায়ন করছে উদ্দেশ্য—পার্বত্যে একটি কৃত্রিম, বিদেশী অনুপ্রবেশকৃত রাষ্ট্র গড়ে তোলা।
পরিকল্পিত অস্থিরতা ছড়িয়ে পাহাড়ে শান্তি ও উন্নয়ন ধ্বংস করা হচ্ছে। বাঙালি ও পাহাড়ির মাঝে বিভাজন উসকে দেওয়া হচ্ছে, যাতে অশান্তির আগুন জ্বালিয়ে আন্তর্জাতিক হস্তক্ষেপের পথ খোলা যায়।
এই নীলনকশার হাতিয়ার হিসেবে মাঠে নামানো হয়েছে জামাত-শিবির ও রোহিঙ্গা সন্ত্রাসীদের ,তাণ্ডব চালানো, সহিংসতা উসকে দেওয়া এবং রক্ত ঝরানো হচ্ছে। নিরপরাধ মানুষের বুক চিরে রচিত হচ্ছে বিদেশি ফর্মুলার অশুভ খসড়া।
অবস্থা এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে ধর্ষকরা নিশ্চিহ্নভাবে ঘুরে বেড়াচ্ছে, আর যারা বিচার চায় তাদের পরিবারকেই অপরাধী বানিয়ে সটান দোষ চাপানো হচ্ছে। এই উল্টোপথের রাজনীতি শুধুই পাহাড় নয়, সমগ্র রাষ্ট্রের জন্য একপ্রকার বিষ।
দেশের সংবিধান স্পষ্ট ধর্মনিরপেক্ষতা ও সার্বভৌমত্ব অক্ষুন্ন রাখা আমাদের কর্তব্য। পার্বত্য অঞ্চলে কোনো ধর্মভিত্তিক রাষ্ট্র গঠন কিংবা বিদেশি ফর্মুলা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।
এখনই দাবি: স্বচ্ছ, স্বাধীন ও নিরপেক্ষ তদন্ত। অভিযুক্ত যেই হোক রাজনীতিক হোক বা প্রশাসনিকর প্রমাণ পেলেই আইনের আওতায় আনা হবে। ক্ষতিগ্রস্ত পাহাড়িদের দ্রুত পুনর্বাসন ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।
পাহাড় ও সমতলের মানুষকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। অপরাধীর শাস্তি, ন্যায়বিচার ও ধর্মনিরপেক্ষতার অটল প্রতিরোধ গড়ে তোলা ছাড়া কোনো বিকল্প নেই।
যে কোনো ষড়যন্ত্র দেশের বিরুদ্ধে চললে জনগণ তা প্রতিহত করবে আইনি, সংবিধানিক ও নাগরিক ঐক্যের মাধ্যমে। বাংলাদেশের মাটিতে কেউ কৃত্রিম বিভাজন কায়েম করতে পারবে না।