প্রেস সচিব শফিক বিতর্কে দেশজুড়ে সমালোচনার ঝড়

লেখক: নিউজ ডেস্ক
প্রকাশ: ৪ মাস আগে

নিউজ ডেস্ক :: বিটিএমএ সভাপতির মন্তব্য “ইউনূস সরকারের মুখপাত্র উন্মাদের মতো কথা বলেন”

দেশে যখন অর্থনীতি টালমাটাল, শিল্পখাত ধ্বংসের মুখে, তখন অবৈধ ফ্যাসিস্ট সরকারের মুখপাত্র শফিকুল আলম ওরফে ডাস্টবিন শফিক—তার অশালীন ও অসংলগ্ন বক্তব্য দিয়ে নতুন করে জনরোষের জন্ম দিয়েছেন। বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশনের (বিটিএমএ) সভাপতি শওকত আজিজ রাসেল সরাসরি মন্তব্য করেছেন—“ইউনূস সরকারের এই প্রেস সচিব উন্মাদের মতো কথা বলেন; তার ভাষায় শালীনতা বা দায়িত্ববোধের কোনো চিহ্ন নেই।”

দেশের রপ্তানি খাত এখন ভয়াবহ সংকটে। গার্মেন্টস শিল্পে অর্ডার কমে গেছে, টেক্সটাইল খাতে উৎপাদন কমেছে প্রায় ৩০ শতাংশ। এ অবস্থায় ব্যবসায়ীরা সরকারের কাছে স্থিতিশীল নীতি, ডলার সংকট নিরসন এবং আমদানি সহজীকরণের দাবি জানাচ্ছেন।
কিন্তু সরকারের মুখপাত্র শফিকুল আলম বরং সংবাদ সম্মেলনে ব্যবসায়ীদেরই দায়ী করছেন অর্থনৈতিক সংকটের জন্য, যা উদ্যোক্তা সমাজে ক্ষোভের জন্ম দিয়েছে।

বিটিএমএ সভাপতি শওকত আজিজ রাসেল বলেন, “সরকারের একজন মুখপাত্র যদি ব্যবসায়ীদের প্রতি অবমাননাকর ভাষায় কথা বলেন, তাহলে সেটি কেবল দায়িত্বজ্ঞানহীনতা নয়—এটি রাষ্ট্রের প্রতি অশ্রদ্ধা।”
তিনি আরও বলেন, “দেশের শিল্পপতিরা এখন বিনিয়োগে ভয় পাচ্ছেন। অথচ সরকার বাস্তবতা মেনে নেওয়ার বদলে উল্টো ব্যবসায়ী সমাজকেই হেয় করছে।”

অর্থনীতি যখন ধ্বংসের পথে, তখন ইউনূস প্রশাসনের মুখপাত্ররা প্রতিদিন টেলিভিশন ও সংবাদ সম্মেলনে ‘অগ্রগতির গল্প’ শোনাচ্ছেন। বাস্তবে যেখানে রিজার্ভ সংকুচিত, কৃষিপণ্য আমদানিতে দুর্নীতি, সারের দাম অগ্নিমূল্যে—সেখানে সরকারের দাবি “অর্থনীতি স্থিতিশীল” বলে উপহাসের জন্ম দিয়েছে।

অর্থনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, “যখন প্রশাসনের মুখপাত্ররা সত্য আড়াল করতে মিথ্যা প্রচার চালান, তখন সরকারের প্রতি জনগণের আস্থা সম্পূর্ণভাবে ভেঙে পড়ে।”
শফিকুল আলমের মতো একজন দায়িত্বশীল পদধারীর মুখ থেকে অসম্মানজনক, বিভ্রান্তিকর বক্তব্য সরকারের সংকটকেই আরও গভীর করছে।

সামাজিক মাধ্যমে শফিকুল আলমের মন্তব্য নিয়ে চলছে তীব্র সমালোচনা। অনেকে বলছেন, “এই সরকারের মুখপাত্ররা যেন বাস্তবতা হারিয়ে ফেলেছেন।”
জনমত বলছে—“যে সরকার তার মুখপাত্রের ভাষা নিয়ন্ত্রণ করতে পারে না, সে সরকার জনগণের কল্যাণে কিছুই করতে পারবে না।”

দেশের শ্রমিক, উদ্যোক্তা ও তরুণ প্রজন্ম এখন একবাক্যে বলছে—“অর্থনীতিকে ধ্বংস করে যারা ক্ষমতায় টিকে আছে, তাদের বিদায়ই দেশের বাঁচার একমাত্র পথ।”

ড. ইউনূসের তথাকথিত উপদেষ্টা সরকার শুধু রাজনৈতিক নয়—নৈতিক দেউলিয়াত্বের দিক থেকেও সম্পূর্ণভাবে ভেঙে পড়েছে। একজন প্রেস সচিবের দায়িত্ব যেখানে সত্য ও শালীন ভাষায় সরকারের অবস্থান তুলে ধরা, সেখানে শফিকুল আলমের বক্তব্যে ফুটে উঠেছে অহংকার ও বাস্তবতা অস্বীকারের রোগ।
জনগণ এখন স্পষ্টভাবে বুঝতে পারছে—এই সরকারের প্রতিটি মুখই শুধু ‘ডাস্টবিন’ নয়, বরং রাষ্ট্র ও অর্থনীতির পচনের প্রতীক।