দৈনিক খবর, প্রথম পাতা
২৩ নভেম্বর ১৯৮০
শিরোনাম: মার্কিন ঘাঁটি স্থাপনে জিয়ার সম্মতি”
বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের পর যখন দেশ অন্ধকারে, তখন গণতন্ত্র, উন্নয়ন কিংবা জনগণের অধিকার নয়-আলোচনার টেবিলে ছিল বিদেশি শক্তির স্বার্থ রক্ষা!
জাতীয় নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে আপসের এই সংবাদ আমাদের মনে করিয়ে দেয়— কে আসলে মুক্তিযুদ্ধের চেতনার ধারক ছিল, আর কারা পরিণত হয়েছিল বিদেশি স্বার্থরক্ষার ক্রীড়নকে।
আজ আমরা যখন ইতিহাসকে নতুন করে পড়ি, তখন স্পষ্ট হয়- বাংলাদেশের গণতন্ত্রের শিকড় দুর্বল করার পেছনে বহির্বিশ্বের ভূ-রাজনীতি আর ঘরের ভেতরের বিশ্বাসঘাতকদের ভূমিকাই ছিল মূল চালিকাশক্তি।
আজকের দিনে এসে আমরা দেখি-আবারও সেই বিদেশি প্রভাব খোঁজে নেয় নতুন ক্রীড়নক। নোবেল বিজয়ের আড়ালে ড. ইউনূস আজ আন্তর্জাতিক শক্তির স্বার্থরক্ষার মুখপাত্রে পরিণত হয়েছেন। বিদেশি চাপে অন্তর্বর্তী সরকার ও রাজনৈতিক বন্দোবস্তের খেলায় তাঁর নাম উঠে আসা প্রমাণ করে- ইতিহাস আসলে নিজেকে পুনরাবৃত্তি করে।
তবে বাংলাদেশের মাটি কারো ঘাঁটি হতে পারে না- এটা ইতিহাসের শিক্ষা, এটা আমাদের জাতির অঙ্গীকার।