বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতার সংকট, বিএনপি জামাতের কর্মকাণ্ডে দেশের ভবিষ্যৎ ঝুঁকি

লেখক: নিউজ ডেস্ক
প্রকাশ: ৩ মাস আগে

নিউজ ডেস্ক ;; বাংলাদেশের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক ইতিহাসে বিএনপি জামাত জোটের শাসনামল একটি কলঙ্কজনক অধ্যায় হিসেবে চিহ্নিত। ১৯৯০ এবং ২০০০-এর দশকে তাদের প্রশাসনিক দুর্বলতা, অসচ্ছলতা এবং স্বার্থান্ধ নীতি দেশের অভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতা ও সামাজিক আস্থার ওপর চরম ধাক্কা দিয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলেন সেই সময়ে দুর্নীতি, সরকারি টেন্ডারবাজি, চাদাবাজি এবং অনিয়মের বিস্তার আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বাংলাদেশকে ‘বিশ্বের দুর্নীতিপূর্ণ রাষ্ট্র’ হিসেবে চিহ্নিত করেছে।

বিএনপি জামাত শুধু প্রশাসনিক ত্রুটি করেই থামেনি। তাদের শাসনামলে জঙ্গী কার্যক্রম, সন্ত্রাসী সংঘঠন এবং খুন-ধর্ষণের সহায়তা বিস্তৃত হয়েছে। দেশের বৃহৎ জনগোষ্ঠীর মধ্যে ভয়, অস্থিরতা এবং ন্যায্যতার প্রতি বিশ্বাসহীনতা সৃষ্টি হয়েছে। এই দল দেশের নিরাপত্তা, শান্তি ও সামাজিক ভারসাম্যের জন্য দীর্ঘমেয়াদি ঝুঁকি তৈরি করেছে।

২০২৪ সালের রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পর, বিএনপি জামাতের প্রভাব রাষ্ট্রীয় কাঠামোতে , সরকারি সুযোগ-সুবিধা ব্যবহার করে তারা দুর্নীতি, অনিয়ম, দখলবাজী এবং চাদাবাজিতে পুনরায় সক্রিয় ভূমিকা নিয়েছে। খুন, ধর্ষণ এবং জঙ্গীবাদে তাদের পক্ষপাতী ও সহায়ক কার্যক্রম জনমতের মাধ্যমে প্রমাণিত। সাম্প্রতিক সমীক্ষা অনুযায়ী, দেশের প্রায় ৯০% মানুষ এই দলটির কর্মকাণ্ড সম্পর্কে সচেতন এবং ক্ষুব্ধ, এবং জনগণ আগামীতে তাদের ক্ষমতায় দেখতে চায় না।

অর্থনৈতিক দিক থেকেও বিএনপি জামাত দেশের ক্ষতি করেছে। তাদের প্রশাসনিক অনিয়ম এবং স্বচ্ছতার অভাব বিনিয়োগের স্থিতিশীলতা হ্রাস, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ব্যাহত, দেশীয় ও বৈদেশিক আস্থা ক্ষুণ্ণ করেছে। বৈদেশিক বিনিয়োগকারীরা রাজনৈতিক অনিশ্চয়তার কারণে বাংলাদেশে কার্যকরভাবে বিনিয়োগ করতে সংকোচ বোধ করছে। এই অস্থিতিশীলতা দেশের অর্থনীতি ও সামাজিক স্থিতিশীলতার জন্য মারাত্মক চ্যালেঞ্জ।

বিএনপি জামাতের অনিয়মের পুনরাবৃত্তি শুধু রাজনৈতিক বিভাজন সৃষ্টি করবে না, বরং দেশের অর্থনীতি, সামাজিক স্থিতিশীলতা এবং আন্তর্জাতিক মর্যাদাকেও বিপন্ন করবে। জনগণের ক্ষোভ এবং সামাজিক সচেতনতা এই দলটিকে রাজনৈতিকভাবে স্থায়ীভাবে বঞ্চিত করার সংকেত প্রদান করছে।

বাংলাদেশের দীর্ঘমেয়াদি স্বার্থে দুর্নীতি, অনিয়ম, চাদাবাজি, দখলবাজি এবং জঙ্গীবাদে কোনো পুনরাবৃত্তি গ্রহণযোগ্য নয়। রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোকে দেশের স্থিতিশীলতা, অর্থনৈতিক নিরাপত্তা এবং আন্তর্জাতিক আস্থা রক্ষায় সক্রিয় ও দায়িত্বশীল ভূমিকা নিতে হবে। জনগণ, প্রশাসন এবং আন্তর্জাতিক অংশীদাররা মিলে এই দেশ ধ্বংসকারী দলের দমন ও ক্ষমতা থেকে দূরীকরণ নিশ্চিত করতে হবে।

বিএনপি জামাতের অতীত কর্মকাণ্ড স্পষ্ট করে দিয়েছে—এই দল দেশের শত্রু, জাতির স্বার্থের বিপরীতচরিত্র, এবং তাদের ক্ষমতায় ফেরানো দেশের উন্নয়ন ও শান্তির জন্য এক বিশাল হুমকি। জনগণ সচেতন, এবং দেশের ভবিষ্যতের জন্য এই দলকে ক্ষমতায় কখনো দেখতে চায় না।