দিনপত্র ডেস্ক :: বাংলাদেশের মানচিত্র ও জাতীয় পতাকার অন্যতম কারিগর, দেশের প্রাচীনতম ছাত্র সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের ৭৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আজ। ১৯৪৮ সালের ৪ জানুয়ারি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে সংগঠনটির যাত্রা শুরু হয়।
প্রতিষ্ঠার পর থেকেই বাংলাদেশ ছাত্রলীগ ভাষা আন্দোলন, ছয় দফা আন্দোলন, গণঅভ্যুত্থান এবং মহান মুক্তিযুদ্ধসহ দেশের প্রতিটি গণতান্ত্রিক ও ঐতিহাসিক আন্দোলনে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছে। বিশেষ করে ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা সংগঠিতভাবে অংশগ্রহণ করে স্বাধীনতা অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে।
বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা ও মানচিত্রের নকশা প্রণয়নের ক্ষেত্রেও ছাত্রলীগের ভূমিকা ইতিহাসে স্বীকৃত। ১৯৭০ সালের ২ মার্চ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথমবারের মতো উত্তোলিত লাল-সবুজের পতাকাটি ছিল ছাত্রলীগের উদ্যোগে প্রণীত, যা পরবর্তীতে স্বাধীন বাংলাদেশের জাতীয় পতকার রূপ লাভ করে।
প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আজ রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে সংগঠনটির পক্ষ থেকে আলোচনা সভা, শ্রদ্ধা নিবেদন, দোয়া মাহফিল ও সামাজিক কার্যক্রমের আয়োজন করা হয়েছে।
নেতৃবৃন্দ তাদের বক্তব্যে ছাত্রলীগের ঐতিহ্য, ইতিহাস ও আদর্শকে ধারণ করে আগামীর বাংলাদেশ গঠনে ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে তারা শিক্ষা, গণতন্ত্র ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনাভিত্তিক রাজনীতি চর্চার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
৭৮ বছরের পথচলায় বাংলাদেশ ছাত্রলীগ দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হিসেবে স্বীকৃত। প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর এই দিনে সংগঠনটির গৌরবোজ্জ্বল অতীত স্মরণ এবং ভবিষ্যৎ করণীয় নিয়ে নতুন করে অঙ্গীকার ব্যক্ত করা হয়েছে।