বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী একটি উগ্রবাদী দল, জনগণ তাদের রিজেক্ট করেছে

লেখক: সুবির দে,
প্রকাশ: ৩ মাস আগে

দিনপত্র ডেস্ক :: বর্তমান সময়ে বাংলাদেশের রাজনীতি এমন এক সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে আছে, যেখানে আদর্শ, গণতন্ত্র ও সহনশীলতার প্রশ্নগুলো আবারও সামনে চলে এসেছে। একদিকে ক্ষমতার রাজনীতি, অন্যদিকে বিরোধী শক্তির অবস্থান—সব মিলিয়ে রাজনৈতিক বক্তব্য এখন কেবল বক্তব্যেই সীমাবদ্ধ থাকছে না তা হয়ে উঠছে জনমত গঠনের একটি বড় হাতিয়ার।

মির্জা ফখরুলের এই মন্তব্যকে তাঁর দলের রাজনৈতিক অবস্থানের অংশ হিসেবে দেখা যেতে পারে। বাংলাদেশের ইতিহাসে জামায়াতে ইসলামীকে ঘিরে নানা বিতর্ক রয়েছে বিশেষ করে মুক্তিযুদ্ধ-পরবর্তী রাজনীতি, বিচার প্রক্রিয়া এবং দলটির আদর্শিক অবস্থান নিয়ে। ফলে একটি বড় অংশের জনগণ দলটিকে সমর্থন না করলেও, আরেকটি অংশ তাদের রাজনৈতিক অধিকার ও সাংগঠনিক স্বাধীনতার প্রশ্ন তোলে।

আজকের প্রেক্ষাপটে রাজনৈতিক দলগুলোর সামনে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো সহিংসতা ও উগ্রতার অভিযোগ থেকে বেরিয়ে এসে গণতান্ত্রিক সংস্কৃতিকে শক্তিশালী করা। জনগণ এখন আগের চেয়ে বেশি সচেতন; তারা উন্নয়ন, স্থিতিশীলতা ও জবাবদিহিতা চায়। কেবল প্রতিপক্ষকে আক্রমণ করে নয়, বরং নিজেদের ইতিবাচক কর্মসূচি ও নীতিমালার মাধ্যমে জনসমর্থন অর্জনই হতে পারে টেকসই রাজনীতির পথ।

বাংলাদেশের রাজনীতিতে পারস্পরিক দোষারোপের চেয়ে বেশি প্রয়োজন নীতিগত বিতর্ক, সংলাপ এবং গণতান্ত্রিক সহাবস্থান। জনগণই শেষ পর্যন্ত নির্ধারণ করবে কোন দল তাদের আস্থা পাওয়ার যোগ্য।