বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে বড় পরিবর্তন, প্যারা কমান্ডো ইউনিট বাড়াচ্ছে সেনাবাহিনী

লেখক: সুবির দে,
প্রকাশ: ১ মাস আগে

দিনপত্র ডেস্ক ::শীর্ষ সেনা সম্মেলনে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা
২৫ ও ২৬ জানুয়ারি ঢাকা সেনানিবাসের মাল্টিপারপাস কমপ্লেক্সে অনুষ্ঠিত এই সম্মেলনে অংশ নেন জেনারেল ও ফর্মেশন কমান্ডাররা। এতে সভাপতিত্ব করেন সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান।
সম্মেলনের আলোচ্যসূচিতে ছিল—
নতুন বিশেষ বাহিনী গঠন
সেনাবাহিনীর ভবিষ্যৎ জনবল কাঠামো
বিদ্যমান অ্যাডহক ইউনিট স্থায়ী করা
বিদেশে অফিসার ক্যাডেট প্রশিক্ষণ নীতি পুনর্বিবেচনা
বিদেশে প্রশিক্ষণ নীতিতে বড় পরিবর্তন
সম্মেলনে সিদ্ধান্ত হয়, ভবিষ্যতে ভারত ও রাশিয়ায় অফিসার ক্যাডেট পাঠানো হবে কেস-টু-কেস ভিত্তিতে, যা নির্ভর করবে—
দ্বিপাক্ষিক সামরিক সম্পর্ক
আর্থিক শর্তাবলী
এই সিদ্ধান্তের লক্ষ্য ভারত ও রাশিয়ার সঙ্গে সামরিক প্রশিক্ষণ নির্ভরতা কমানো। এর পরিবর্তে যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, চীন ও অন্যান্য দেশের সঙ্গে প্রশিক্ষণ সহযোগিতা বাড়ানোর দিকেও নজর দেওয়া হচ্ছে।
⚠️ রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত
২০২৪ সালের আগস্টে শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ সরকার উৎখাতের পর এটি বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রথম বড় ও সুস্পষ্ট কৌশলগত সিদ্ধান্তগুলোর একটি বলে মনে করছেন প্রতিরক্ষা বিশ্লেষকরা।
প্রতিরক্ষা সূত্রের মতে, এই সিদ্ধান্ত ঢাকার সঙ্গে নয়াদিল্লি ও মস্কোর সামরিক সম্পর্কের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে।
জনবল বৃদ্ধি ও কাঠামোগত সংস্কার
সম্মেলনে আরও সিদ্ধান্ত হয়—
বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর মোট জনবলের ভবিষ্যৎ আকার নির্ধারণ
২০২৫ সালে পরিকল্পনা অধিদপ্তরের প্রস্তাব অনুযায়ী নতুন স্থাপনা
শূন্য পদ পূরণ করে অস্থায়ী ইউনিটগুলো স্থায়ী রূপ দেওয়া
সেনাপ্রধানের বক্তব্য
সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান এই সব গুরুত্বপূর্ণ ও সম্ভাব্য বিতর্কিত সিদ্ধান্ত নিয়ে বিস্তারিত বক্তব্য দেবেন বলে জানা গেছে।
সম্মেলন শেষ হওয়ার একদিন পর তিনি রংপুরে অবস্থিত ৬৬তম পদাতিক ডিভিশন পরিদর্শনে যাবেন। সফরে তার সঙ্গে থাকবেন একজন লেফটেন্যান্ট জেনারেল ও চারজন ব্রিগেডিয়ার।