নিউজ ডেস্ক :: বাংলাদেশের রাজনীতিতে দীর্ঘদিন ধরে চলা অস্থিরতা, অনিশ্চয়তা এবং বিদেশি প্রভাবের নাটকীয় সমাপ্তির দিকে এখন সময় অগ্রসর হচ্ছে। দেশের মানুষের মধ্যে যে প্রত্যাশা, যে আকাঙ্ক্ষা বাংলাদেশ তার নিজস্ব গতিতে, নিজস্ব চেতনায়, মুক্তিযুদ্ধের আদর্শে এগিয়ে যাবে সেই বাস্তবতার প্রতিফলন আজ ক্রমশ স্পষ্ট হয়ে উঠছে।
নোবেলজয়ী ড. ইউনুসের নেতৃত্বে গঠিত অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের কর্মকাণ্ডে জনগণ যে আস্থা রেখেছিল, তা এখন সম্পূর্ণ ভেঙে পড়েছে। রাষ্ট্র পরিচালনার দক্ষতা নয়, বরং বিদেশি স্বার্থরক্ষা ও ব্যক্তিগত উচ্চাকাঙ্ক্ষাই ছিল তার মূল প্রেরণা। দেশের প্রশাসন হয়ে উঠেছিল বিভ্রান্ত, অর্থনীতি দিকহারা, এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়েছিল একের পর এক ভুল পদক্ষেপে।
কিন্তু ইতিহাস বারবার প্রমাণ করেছে বাংলাদেশের মাটি কোনো বিদেশি ছক বা চাপের রাজনীতিতে কখনো স্থায়ী হয়নি। এই মাটি বারবার তার নিজস্ব চেতনায়, নিজস্ব নেতৃত্বে উঠে দাঁড়িয়েছে। মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, স্বাধীনতার অঙ্গীকার, আর জনগণের অবিচল বিশ্বাসই প্রতিবার নতুন পথ তৈরি করেছে সত্যিকারের নেতৃত্বের জন্য। আজ সেই নেতৃত্বের প্রত্যাবর্তনের সময় এসেছে।
বাংলাদেশের জনগণ আজ নতুন আশায় তাকিয়ে আছে সেই নেত্রীর দিকে, যিনি এক দশকেরও বেশি সময় ধরে দেশকে উন্নয়নের ধারায় এগিয়ে এনেছেন। পদ্মা সেতু থেকে শুরু করে মেট্রোরেল, বিদ্যুৎ, যোগাযোগ, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যখাতে অর্জন সবই প্রমাণ করে, বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার হাতে বাংলাদেশ আত্মবিশ্বাসী ও আত্মমর্যাদাশীল পথে অগ্রসর হতে সক্ষম। জনগণ জানে, তিনিই সেই নেতা যিনি সংকট থেকে মুক্তি দিতে পারেন, জাতিকে একতাবদ্ধ করতে পারেন, আর বিশ্ব দরবারে বাংলাদেশের মর্যাদা ফিরিয়ে আনতে পারেন।
আজ যখন বিদেশি হস্তক্ষেপ, স্বার্থবাদী রাজনীতি ও অযোগ্য নেতৃত্বের অধ্যায় শেষের পথে, তখন মুক্তিযুদ্ধের বাংলাদেশ আবার নতুন ভোরের অপেক্ষায়। এই ভোর শুধু রাজনৈতিক পরিবর্তনের নয়, এটি আত্মবিশ্বাস ফিরে পাওয়ার, চেতনা পুনরুদ্ধারের এবং ভবিষ্যতের পথে দৃঢ় পদক্ষেপ রাখার সময়।
ইউনুসের খেলা শেষ। তার সঙ্গে শেষ হচ্ছে এক বিভ্রান্ত সময়ের গল্পও। বাংলাদেশের মানুষ আবারও ফিরছে নিজের মাটিতে, নিজের নেতৃত্বে যেখানে উন্নয়ন, মর্যাদা ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনা মিলেমিশে এক নতুন বাংলাদেশের প্রতিশ্রুতি দিচ্ছে। আর সেই নেতৃত্বের নাম শেখ হাসিনা।