নিউজ ডেস্ক :: বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব আজ ভয়াবহ হুমকির মুখে। রাঙামাটি ও খাগড়াছড়ি দেশের গুরুত্বপূর্ণ দুই জেলা ক্রমশ বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠী ও তাদের বিদেশি সহযোগীদের দখল অঞ্চলে পরিণত হচ্ছে। এ অঞ্চলে বহুদিন ধরে সক্রিয় জেএসএস, ইউপিডিএফ, জেএসএস (সংস্কার), ইউপিডিএফ (গণতান্ত্রিক) এখন নতুন শক্তি পাচ্ছে সীমান্তের ওপারের সশস্ত্র গোষ্ঠী কুকিচিন ন্যাশনাল আর্মি (KNA) ও আরাকান আর্মি (AA)-এর কাছ থেকে।
*পাহাড়ে সন্ত্রাসের রাজত্ব*
সাধারণ মানুষ রাতদিন গুলির শব্দে আতঙ্কিত।
পর্যটন খাত ধ্বংসের পথে, ব্যবসায়ীরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।
কাঠ ব্যবসায়ী, পরিবহন শ্রমিক থেকে শুরু করে গ্রামের গরিব মানুষও চাঁদাবাজির শিকার।
এ যেন মুক্ত বাংলাদেশে দ্বিতীয় দখলদার শক্তির ছায়া।
*বিদেশি সশস্ত্র শক্তির যোগসাজশ*
কুকিচিন ন্যাশনাল আর্মি (KNA): মিজোরাম ও চিন রাজ্যের সীমান্তবর্তী অঞ্চলে সক্রিয় এই সশস্ত্র গোষ্ঠী বাংলাদেশের পাহাড়ি বিচ্ছিন্নতাবাদীদের নিয়মিত অস্ত্র ও প্রশিক্ষণ দিচ্ছে।
আরাকান আর্মি (AA): মিয়ানমারের রাখাইন অঞ্চলের কুখ্যাত গোষ্ঠী, যারা এখন বাংলাদেশের পাহাড়ে প্রবেশ করে সন্ত্রাসীদের সামরিক কৌশল শেখাচ্ছে।
এরা একসাথে কাজ করে বাংলাদেশে “স্বাধীন পাহাড়ি ভূখণ্ড” তৈরির স্বপ্ন বাস্তবায়নে ভূমিকা রাখছে।
*চাকমা রাজার ভূমিকা ও ইউনুস সরকারের নীরবতা*
সবচেয়ে উদ্বেগজনক হলো চাকমা রাজার প্রত্যক্ষ সহযোগিতা। বর্তমান অবৈধ ইউনুস সরকারের ঘনিষ্ঠ এই ব্যক্তি আজ বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠীগুলোর নেতৃত্বে নতুন ভূখণ্ডের নীলনকশা বাস্তবায়নের কাজে লিপ্ত। অথচ সরকার নির্বিকার যেন এই ষড়যন্ত্রেই তাদের নীরব সম্মতি রয়েছে।
*জাতীয় নিরাপত্তার প্রশ্ন*
বাংলাদেশের ভৌগোলিক অখণ্ডতা ভাঙার এই ষড়যন্ত্র কোনোভাবেই ছোট করে দেখার মতো নয়। পাহাড় দখল মানেই সীমান্ত দখল, আর সীমান্ত দখল মানেই গোটা বাংলাদেশকে দুর্বল করে দেওয়া। সেনাবাহিনীকে দুর্বল করা, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে অকার্যকর করা এবং জনগণকে আতঙ্কিত করে রাখা সবই একই প্রজেক্টের অংশ।
রাঙামাটি ও খাগড়াছড়ির সঙ্কট শুধুই পাহাড়ের সংকট নয়, এটি বাংলাদেশের অস্তিত্বের সংকট। এখনই পদক্ষেপ না নিলে, আগামী দিনে মানচিত্রে নতুন “ভূখণ্ড” যোগ হওয়ার শঙ্কা উড়িয়ে দেওয়া যাবে না।