শাবিপ্রবিতে ছাত্রলীগকে কোণঠাসা করার ষড়যন্ত্র

লেখক: নিউজ ডেস্ক
প্রকাশ: ৫ মাস আগে

নিউজ ডেস্ক :: শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (শাবিপ্রবি) সম্প্রতি যে সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে, তা শিক্ষাঙ্গনে নতুন বিতর্ক সৃষ্টি করেছে। প্রশাসন দাবি করছে, শৃঙ্খলা রক্ষার স্বার্থে তারা কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছে। কিন্তু বাস্তবতা হলো—বহিষ্কৃতদের সবাই ছাত্রলীগের নেতা-কর্মী। এ থেকে স্পষ্ট বোঝা যায়, একটি মহল সুপরিকল্পিতভাবে ছাত্রলীগকে টার্গেট করে পুরো সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

১৪ জুলাই থেকে ৫ আগস্ট পর্যন্ত আন্দোলনের সময়কার কিছু ঘটনা, হলে অস্ত্র ও মাদকের অপপ্রচার—এসব অজুহাত দেখিয়ে ২০ জনকে আজীবনের বহিষ্কার করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। এর মধ্যে রয়েছেন ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ফারহান চৌধুরী আরিয়ান। এছাড়া আরও ১৯ জন সক্রিয় ছাত্রলীগ কর্মীকে একইভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে। তাছাড়া ১৭ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে শাস্তি ও ১৫ জনকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়েছে।

কিন্তু প্রশ্ন হলো, শুধুই কি ছাত্রলীগ দায়ী? অন্যান্য ছাত্র সংগঠনের সম্পৃক্ততা কেন তদন্তে আসেনি? কেন কেবল ছাত্রলীগের নামই তালিকায়? এর উত্তর কেউ দিচ্ছে না। বরং দেখা যাচ্ছে, বহিরাগত চক্রের প্ররোচনায় ছাত্রলীগের ছেলেদের নাম জোর করে জড়ানো হয়েছে।

ছাত্রলীগ দীর্ঘদিন ধরে শাবিপ্রবির ক্যাম্পাসে দেশপ্রেম, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা এবং সাংগঠনিক রাজনীতির চর্চা করেছে। এই সংগঠনকে দুর্বল করতে এবং বিশ্ববিদ্যালয়কে অস্থিতিশীল রাখতে একটি ষড়যন্ত্রী গোষ্ঠী কাজ করছে—এ সিদ্ধান্ত তারই প্রতিফলন।

শিক্ষাঙ্গনে শান্তি ফিরিয়ে আনার নামে যদি কেবল ছাত্রলীগের ছেলেদের উপর দায় চাপানো হয়, তবে সেটি ন্যায়ের পথ নয়; বরং রাজনৈতিক প্রতিহিংসা। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের উচিত ছিল নিরপেক্ষ তদন্ত করে সবার নাম প্রকাশ করা। কিন্তু একপেশে সিদ্ধান্তই প্রমাণ করছে—শাবিপ্রবিতে ছাত্রলীগকে কোণঠাসা করার ষড়যন্ত্র চলছে।