সন্ত্রাসী নয়, জনগণকে দমন করছে পুলিশ অবৈধ সরকারের নগ্ন মুখোশ

লেখক: নিউজ ডেস্ক
প্রকাশ: ৬ মাস আগে

অনলাইন ডেস্ক :: ঢাকা মহানগর পুলিশ কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলীর সাম্প্রতিক বার্তা “ঝটিকা মিছিল হলে ওসি ও পরিদর্শক প্রত্যাহার” প্রমাণ করেছে দেশের পুলিশ বাহিনী আর স্বাধীন কোনো বাহিনী নয়। তারা আজ পরিণত হয়েছে অবৈধ সরকারের বেঁচে থাকার শেষ ভরসায়, একটি ফ্যাসিবাদী অস্ত্রে।

পুলিশের কাজ জনগণের নিরাপত্তা দেওয়া। সন্ত্রাসী আটক করা, জঙ্গিদের দমন করা, চোর ছিনতাইকারীকে গ্রেপ্তার করা এসবই পুলিশের দায়িত্ব। কিন্তু আজ তাদের কাঁধে চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে এক ভয়াবহ দায়িত্ব: জনগণের কণ্ঠরোধ করা, মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তিকে দমন করা, আর সন্ত্রাসী–জঙ্গিদের আশ্রয় দেওয়া। ফলাফল হলো গোটা দেশ আজ পুলিশি দমননীতির করাল ছায়ায়।

শেরেবাংলা নগর থানার দুই পরিদর্শককে প্রত্যাহার করার ঘটনা প্রমাণ করেছে এটা আইন নয়, এটা নিছক ক্ষমতার খেলা। আগারগাঁও, শেরেবাংলা নগর, ৬০ ফিট বা শ্যামলীতে সাধারণ মানুষের ঝটিকা মিছিল দমন করতে না পারলেই পুলিশ কর্মকর্তাদের শাস্তি। অথচ এসব মিছিল ছিল অবৈধ সরকারের বিরুদ্ধে স্বতঃস্ফূর্ত প্রতিবাদ, যেখানে অংশ নিয়েছিল মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী সাধারণ মানুষ।

বাস্তবতা আজ খুব স্পষ্ট রাজধানীর অলিগলিতে ১০০ জন মানুষের মধ্যে অন্তত ৯০ জন ইউনুসবিরোধী। তারা আওয়ামী লীগ নয়, কোনো দলীয় ক্যাডারও নয়। তারা সাধারণ মানুষ, যারা গণতন্ত্র, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা আর ন্যায়ের পক্ষে দাঁড়িয়েছে। অথচ এই মানুষদের ভয়ের রাজনীতিতে চুপ করাতে সরকার তাদের গায়ে চাপিয়ে দিচ্ছে “আওয়ামী লীগ ট্যাগ”।

অবৈধ ইউনুস সরকারের মেরুদণ্ড আজ জঙ্গি, মৌলবাদী আর সন্ত্রাসী গোষ্ঠী। এদের রক্ষায় পুলিশের গায়ে চাপানো হয়েছে লজ্জাজনক দায়িত্ব। কিন্তু পুলিশকে মনে রাখা দরকার গুটি কয়েক ফ্যাসিস্ট নেতার জন্য ১৭ কোটি মানুষের ইচ্ছা চেপে রাখা যায় না। জনগণের জোয়ারের সামনে কোনো রাষ্ট্রযন্ত্রই টিকে থাকতে পারে না এটাই ইতিহাসের শিক্ষা।

আজ হয়তো পুলিশ ক্ষমতার নির্দেশ মানছে। কিন্তু কাল যখন এই অবৈধ শাসনের পতন ঘটবে, তখন জনগণের আদালতেই পুলিশকে দাঁড়াতে হবে। জনগণ তখন প্রশ্ন ছুড়ে দেবে কেন তোমরা জনগণের নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ হলে? কেন সন্ত্রাসীদের না ধরে সাধারণ মানুষকে দমন করলে? কেন ফ্যাসিবাদের পক্ষে দাঁড়ালে?

অবৈধ শক্তির পক্ষে যারা কাজ করছে, জনগণের আদালতের রায় থেকে তারা কেউই রক্ষা পাবে না না ইউনুস, না তার লেজুড়বৃত্তিরা।