নিউজ ডেস্ক :: রাষ্ট্রের অস্তিত্ব ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার প্রথম প্রাচীর হলো সশস্ত্র বাহিনী। একটি সেনাবাহিনী শুধুমাত্র অস্ত্রধারী বাহিনী নয়, এটি শৃঙ্খলা, আনুগত্য ও পেশাদারিত্বের প্রতীক। তাই বাহিনীর অভ্যন্তরীণ ঐক্য, পারস্পরিক আস্থা ও কমান্ড শৃঙ্খলা রক্ষা করা রাষ্ট্রের নিরাপত্তার জন্য অপরিহার্য।
সম্প্রতি বিভিন্ন মহলে শোনা যাচ্ছে যে সেনা সদর দপ্তরের ভেতরে মতপার্থক্য ও ক্ষমতার প্রতিযোগিতা তৈরি হয়েছে। বিশেষভাবে উল্লেখ করা হচ্ছে,সেনা প্রধানের সিদ্ধান্তের সঙ্গে সামঞ্জস্য না রাখায় সিজিএস, কিউএমজি, পিএস ওএর ভূমিকা স্পষ্ট হয়ে উঠছে। যদিও এই তথ্য প্রাথমিক ও যাচাই প্রয়োজন, তবুও এমন গুজবই রাষ্ট্রের জন্য মারাত্মক ক্ষতির কারণ হতে পারে।
ইতিহাস প্রমাণ করে যে সামরিক
সেনাবাহিনীর ভেতর ভুল বোঝাবুঝি, সেনা প্রধান বিরোধী সিজিএস, কিউএমজি , পিএসও এর ভূমিকা স্পষ্ট
রাষ্ট্রের অস্তিত্ব ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার প্রথম প্রাচীর হলো সশস্ত্র বাহিনী। একটি সেনাবাহিনী শুধুমাত্র অস্ত্রধারী বাহিনী নয়, এটি শৃঙ্খলা, আনুগত্য ও পেশাদারিত্বের প্রতীক। তাই বাহিনীর অভ্যন্তরীণ ঐক্য, পারস্পরিক আস্থা ও কমান্ড শৃঙ্খলা রক্ষা করা রাষ্ট্রের নিরাপত্তার জন্য অপরিহার্য।
সম্প্রতি বিভিন্ন মহলে শোনা যাচ্ছে যে সেনা সদর দপ্তরের ভেতরে মতপার্থক্য ও ক্ষমতার প্রতিযোগিতা তৈরি হয়েছে। বিশেষভাবে উল্লেখ করা হচ্ছে—সেনা প্রধানের সিদ্ধান্তের সঙ্গে সামঞ্জস্য না রাখায় সিজিএস, কিউএমজি ও পিএস-এর ভূমিকা স্পষ্ট হয়ে উঠছে। যদিও এই তথ্য প্রাথমিক ও যাচাই প্রয়োজন, তবুও এমন গুজবই রাষ্ট্রের জন্য মারাত্মক ক্ষতির কারণ হতে পারে।
ইতিহাস প্রমাণ করে যে সামরিক বাহিনীর ভেতরে ভুল বোঝাবুঝি বা নেতৃত্ব সংক্রান্ত বিভাজন কেবল বাহিনীর শৃঙ্খলাকে নয়, রাষ্ট্রের স্থিতিশীলতাকেও হুমকিতে ফেলে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে সামরিক অনৈক্যের সুযোগ নিয়ে বিদেশি স্বার্থ ও রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র মাথাচাড়া দিয়েছে। ফলে সামরিক ঐক্য রক্ষা কেবল বাহিনীর নয়—পুরো জাতির দায়িত্ব।
বর্তমান সময়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা অপ্রমাণিত তথ্য দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে। অনেক সময় তা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত, বিভ্রান্তিকর ও প্ররোচনামূলক। তাই প্রতিটি নাগরিকের দায়িত্ব—গুজব থেকে দূরে থাকা এবং সরকারী তথ্য যাচাই করে তবেই মন্তব্য বা প্রচার করা।
সেনাবাহিনীর অভ্যন্তরীণ বিষয়গুলো সংবেদনশীল ও রাষ্ট্রীয় গোপনীয়তার অন্তর্ভুক্ত। বাহিনীর সদস্যদের মধ্যে যদি কোনো মতপার্থক্য থেকেও থাকে, তা সমাধানের জন্য নির্দিষ্ট সামরিক আইন ও অভ্যন্তরীণ প্রক্রিয়া আছে। জনমনে বিভ্রান্তি ছড়ানো কোনো সমস্যা সমাধান করতে পারে না; বরং তা অরাজকতা বাড়ায়।
আজ প্রয়োজন,সেনা ও জনগণের পারস্পরিক আস্থা বজায় রাখা, বাহিনীর ঐক্য ও শৃঙ্খলার প্রতি পূর্ণ সম্মান প্রদর্শন, এবং গুজবের রাজনীতিকে প্রতিহত করা।
একটি শৃঙ্খলাবদ্ধ, ঐক্যবদ্ধ ও পেশাদার সেনাবাহিনীই জাতির গর্ব।