স্বাধীনতার শত্রুরা সাবধান—বঙ্গবন্ধুর সৈনিকেরা রাজপথে ফিরছে

লেখক: নিউজ ডেস্ক
প্রকাশ: ৩ মাস আগে

অনলাইন ডেস্ক :: আজ বাংলাদেশ এক সঙ্কটের মোড়ে দাঁড়িয়ে। আমাদের স্বাধীনতা, আমাদের স্বপ্ন, আমাদের ভবিষ্যৎ—সবকিছু যেন অন্ধকার শক্তির নিঃশব্দ থাবায় ক্রমশ সংকুচিত হয়ে আসছে। আমরা অনেক সময় ভাবছি—কেউ না কেউ দাঁড়াবে, কেউ না কেউ রুখে দেবে। কিন্তু আজ সময় এসে গেছে বুঝে নেওয়ার—সেই “কেউ” আর কেউ নয়, সেই “কেউ” আমি—আপনি—আমরা!

এই দেশ কি শুধু মানচিত্র? না!
এই দেশ আমাদের চোখের জল, আমাদের মায়ের হাসি, আমাদের শহীদের রক্ত। এই মাটির প্রতিটি কণা স্বাধীনতার শপথ বহন করে। আর সেই স্বাধীনতার উপর যখনই কোনো ছায়া নামে—আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরাই প্রথম রাজপথে দাঁড়ায়, দাঁড়িয়েছে, দাঁড়াবে।

আজ কৃষক যখন তার ধানে ন্যায্য দাম পায় না—তখন তার পাশে দাঁড়ানো আমাদের দায়িত্ব।
আজ শ্রমজীবী যুবক যখন কাজ হারিয়ে নিরাশ হয়ে পড়ে—তখন তাকে শক্তি দেওয়া আমাদের কর্তব্য।
আজ শিল্প–কারখানা যখন ষড়যন্ত্রে ক্ষতিগ্রস্ত হয়—তখন দেশকে রক্ষা করতে রাজপথে নামা আমাদের শপথ।

মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তি যদি আজ না জাগে, তাহলে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম প্রশ্ন করবে—
“তোমরা কি করে নীরব থাকতে পারলে?”
আমরা সেই লজ্জা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের সামনে ফেলতে পারি না।

আমাদের রক্তে বঙ্গবন্ধুর চেতনা।
আমাদের আত্মায় স্বাধীনতার দীপ্তি।
আমাদের হৃদয়ে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে এগিয়ে চলা উন্নত বাংলাদেশের সোনালি প্রত্যাশা।

এই চেতনাকে হত্যা করতে চায় যে অশুভ শক্তি—সে যত শক্তিশালী ভাবুক, ইতিহাস তাকে কখনো জায়গা দেবে না।
কিন্তু শর্ত একটাই—আমাদের জাগতে হবে, দাঁড়াতে হবে, এক হতে হবে।

আজ আহ্বান জানাই—
যে যুবক বেকারত্বে ভুগছে, যে কৃষক মাঠে ঘাম ঝরাচ্ছে, যে শ্রমিক জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কাজ করছে, যে মা সন্তান নিয়ে অনিশ্চয়তায় দিন কাটাচ্ছে—সবাইকে বলি

উঠে দাঁড়াও! এই দেশ তোমার। এই সংগ্রাম তোমার। এই ভবিষ্যৎও তোমার।

আমরা রাজপথে নামবো—ক্ষমতার জন্য নয়,
দেশকে বাঁচানোর জন্য।
আমরা আওয়াজ তুলবো—দলের জন্য নয়,
স্বাধীনতা রক্ষার জন্য।
আমরা সংগ্রাম করবো—আজকের জন্য নয়,
আমাদের সন্তানদের আগামী দিনের জন্য।

বঙ্গবন্ধুর সৈনিকরা কখনো ভেঙে পড়ে না।
শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বিশ্বাসী মানুষরা কখনো পিছিয়ে যায় না।

আজ তাই শপথ করি—
যত বাধাই আসুক, যেই অন্ধকারই ঘিরে ধরুক,
আমরা আলোর পথেই হাঁটবো।
আমরা বাংলাদেশকে রক্ষা করবো।
আমরা স্বাধীনতার সম্মান অক্ষুণ্ণ রাখবো।

কারণ, এই দেশ আমাদের—এবং আমরা-ই এর শেষ রক্ষাকবচ।