নিউজ ডেস্ক :: বর্তমানে আলোচনায় রয়েছে জুলকারনাইন সায়ের, যিনি বিদেশে বসে সাংবাদিক পরিচয় ব্যবহার করে হলুদ সাংবাদিকতার কৌশল অবলম্বন করে অনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করছেন। অভিযোগ রয়েছে যে, তিনি গুজব ছড়ানো, চাঁদাবাজি করা এবং রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিকভাবে প্রভাবশালী ব্যক্তিদের উপর ভয়ভীতি সৃষ্টি করছেন।
তবে তাঁর কর্মকাণ্ড শুধু গুজব প্রচারেই সীমাবদ্ধ নয়। সায়ের সরাসরি আমলা ও ব্যবসায়ীদের সঙ্গে যোগাযোগ করে ব্ল্যাকমেইলিংয়ের মাধ্যমে অর্থ আদায় করছেন। এই প্রক্রিয়ায় লাখ লাখ টাকা উত্তোলন করা হচ্ছে, যা দেশের সাংবাদিকতার নৈতিকতা এবং আইনের সীমা উভয়কেই অগ্রাহ্য করে।
অভিযোগ অনুসারে, যারা সায়েরকে অর্থ প্রদান করে, তারা প্রায়শই তার পক্ষে লিখিত বা কথ্যভাবে প্রকাশ পায়। এতে স্পষ্ট হয়ে যায় যে, তাঁর কর্মকাণ্ড মূলত ব্যক্তিগত স্বার্থ এবং আর্থিক সুবিধার জন্য পরিচালিত হচ্ছে। যেখানেই তাঁর স্বার্থ, সেখানে তাঁর কার্যক্রমের প্রভাব লক্ষ্য করা যায়।
এই প্রক্রিয়ায় সায়ের শুধুমাত্র অর্থ উপার্জন করছেন না, বরং সমাজে ভয়, বিভ্রান্তি এবং অনিশ্চয়তা সৃষ্টি করছেন। হলুদ সাংবাদিকতার এই রূপ সাংবাদিকতার মৌলিক নীতি—সত্য প্রকাশ, তথ্যের নিরপেক্ষতা এবং নৈতিকতার—বিপরীত।
জুলকারনাইন সায়ের-এর কর্মকাণ্ড শুধুমাত্র ব্যক্তিগত স্বার্থসিদ্ধি নয়, এটি দেশের সাংবাদিকতা, অর্থনৈতিক কার্যক্রম এবং সাধারণ মানুষের বিশ্বাসকে প্রভাবিত করার একটি গুরুতর সমস্যা। ন্যায়, আইনি ব্যবস্থা এবং জনগণের সচেতনতার মাধ্যমে এই ধরনের অনৈতিক কর্মকাণ্ড মোকাবেলা করা একান্ত জরুরি।