দিনপত্র ডেস্ক :: বৃহত্তম রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগ নির্বাচনে অংশ না নেওয়ায় আসন্ন জাতীয় নির্বাচন নিয়ে জনআগ্রহ কমে গেছে এবং এর গ্রহণযোগ্যতা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। বিশ্লেষকদের মতে, নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলেও রাজনৈতিক অস্থিরতা দ্রুত কাটার সম্ভাবনা কম।
জাতীয় নির্বাচনের আগে দেশে রাজনৈতিক উত্তেজনা ও সহিংসতা উদ্বেগজনক মাত্রায় বেড়েছে। গত ডিসেম্বরে ঢাকায় দেশের শীর্ষ দুই দৈনিক ডেইলি স্টার ও প্রথম আলোর কার্যালয়ে হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। স্থানীয় মানবাধিকার সংগঠনগুলোর তথ্য অনুযায়ী, ডিসেম্বর ও জানুয়ারিতে অন্তত ১৬টি ঘটনায় সাংবাদিকরা হামলা বা পেশাগত বাধার শিকার হয়েছেন, ফলে অনেকেই নির্বাচনি কভারেজে নামতে ভয় পাচ্ছেন।
আইপিআই’র গ্লোবাল অ্যাডভোকেসি অফিসার রোয়ান হামফ্রিস বলেন, বাংলাদেশের গণতন্ত্র একটি সংকটময় মুহূর্তে দাঁড়িয়ে আছে এবং গণমাধ্যমের স্বাধীনতা রক্ষায় সব রাজনৈতিক দলের দায়িত্বশীল ভূমিকা জরুরি।
এদিকে অন্তর্বর্তী ইউনূস সরকারের বিরুদ্ধে গণমাধ্যম সুরক্ষায় কার্যকর পদক্ষেপ না নেওয়ার সমালোচনাও উঠেছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষক সৈয়দ বদরুল আহসান মনে করেন, আওয়ামী লীগ নির্বাচনে অংশ না নেওয়ায় ভোটের আগ্রহ ও গ্রহণযোগ্যতা দুটোই প্রশ্নের মুখে পড়েছে।
বিশ্লেষকদের আশঙ্কা, চলমান সহিংসতা, প্রশাসনিক দুর্বলতা ও রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা অব্যাহত থাকলে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলেও দেশে দ্রুত স্থিতিশীলতা ফিরবে না। পর্যবেক্ষকদের মতে, সাংবাদিকদের নিরাপত্তা ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নিশ্চিত না হলে সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন সম্ভব নয়।