ঢাবি ক্যাম্পাসে জঙ্গি তৎপরতার অভিযোগ, টিটিপি-আইএস-হিজবুত তাহরির নিয়ে উদ্বেগ, স্বচ্ছ তদন্তের দাবি শিক্ষার্থীদের,

লেখক: সুবির দে,
প্রকাশ: ১ ঘন্টা আগে

দিনপত্র ডেস্ক :: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কে ঘিরে জঙ্গি তৎপরতার অভিযোগ নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করেছে। পাকিস্তানভিত্তিক তেহেরিকি তালেবান পাকিস্তান (টিটিপি)-এর সম্ভাব্য নেটওয়ার্ক সক্রিয় থাকার আশঙ্কার মধ্যেই এখন আইএস, এবং হিজবুত তাহরির সংশ্লিষ্টতার অভিযোগও সামনে এসেছে। ফলে ক্যাম্পাসে নিরাপত্তা নিয়ে শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের মধ্যে উদ্বেগ বেড়েছে।
গোয়েন্দা তথ্য ও একাধিক অভ্যন্তরীণ সূত্রের দাবি—বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেতরেই নীরবে গড়ে উঠেছে টিটিপির একটি সংগঠিত নেটওয়ার্ক, যার নেতৃত্বে রয়েছেন হিসাবরক্ষণ অফিসের সহকারী পরিচালক মো. আল মামুন।

গোয়েন্দা সূত্রে জানা গেছে, বিশ্ববিদ্যালয়ের হিসাব দপ্তরের সহকারী পরিচালক মো. আল মামুনকে সন্দেহভাজন হিসেবে নজরদারিতে রাখা হয়েছে।এনএসআই-এর এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, “আমরা কিছু বিশ্বস্ত তথ্য পেয়েছি, সেগুলো যাচাই করা হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির আর্থিক লেনদেন ও যোগাযোগ গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।”
বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরের একাধিক সূত্র দাবি করছে, দীর্ঘদিন ধরেই ওই কর্মকর্তার অস্বাভাবিক আর্থিক কার্যক্রম নিয়ে প্রশ্ন ছিল। রেজিস্ট্রার দপ্তরের এক কর্মচারী বলেন, “তিনি উচ্চ সুদে টাকা ধার দিতেন এবং বড় অঙ্কের নগদ লেনদেন করতেন, যা আমাদের কাছে সন্দেহজনক মনে হয়েছে।” একইভাবে, এক শিক্ষক পরিচয় গোপন রেখে জানান, “রাতে তাকে বিদেশি চেহারার কিছু লোকজনের সঙ্গে দেখা গেছে, যা এখন নতুন করে ভাবাচ্ছে।”
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর সাইফুদ্দিন আহমেদ বলেন, “বিষয়টি আমরা গুরুত্বের সঙ্গে দেখছি। কোনো জঙ্গি সংশ্লিষ্টতা প্রমাণিত হলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
এদিকে, কিছু শিক্ষার্থী প্রতিনিধি স্বচ্ছ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন। তাদের ভাষ্য, অভিযোগগুলো গুরুতর হওয়ায় দ্রুত ও নিরপেক্ষ তদন্ত প্রয়োজন, যাতে সত্য উদঘাটিত হয় এবং ক্যাম্পাসে আস্থা ফিরে আসে।

নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা দাবি করেন ২০২৪ সালে সরকার পতনের পর জঙ্গিদের বেপরোয়া দেখা যায় ঢাবিতে
হিজবুত তাহরির মিছিল, পোষ্টার ইউনুস সরকারের প্রশাসনের সহযোগিতায় জঙ্গি সংগঠন গুলো শক্তিশালী হয়ে উঠার অভিযোগ রয়েছে।
তৎকালীন ডিএমপির পুলিশ কমিশনার সাজ্জাদ আলী এসব জঙ্গিদের নিয়ে নিরব ভুমিকা পালন করে উৎসাহ দিয়েছেন।