রাজনৈতিক ও সশস্ত্র গোষ্ঠীর তৎপরতা, ভারতের বিরুদ্ধে উসকানিমূলক কর্মকাণ্ডের অভিযোগ

লেখক: নিউজ ডেস্ক
প্রকাশ: ৬ মাস আগে

নিউজ ডেস্ক :: বাংলাদেশে সীমান্তবর্তী এলাকায় ভারতবিরোধী মনোভাব ও অস্ত্র প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের অভিযোগ বিশেষজ্ঞরা ত্বরিত তদন্তের আহ্বান জানিয়েছেন।

২০২৪ সালের ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর থেকে দেশের বিভিন্ন এলাকায় ভারতের বিরুদ্ধে উসকানি ও অস্ত্র প্রশিক্ষণ কার্যক্রম বেড়ে গেছে বলে বিভিন্ন সূত্র দাবি করছে। রাজনৈতিক ও সশস্ত্র গোষ্ঠীর এই তৎপরতা জাতীয় নিরাপত্তা ও আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার জন্য গুরুতর হুমকি হিসেবে চিহ্নিত করা হচ্ছে।

সূত্র অনুসারে, কিছু রাজনৈতিক ও সশস্ত্র গোষ্ঠী ভারতের ওপর আক্রমণ, জঙ্গিদের উসকে দেওয়া এবং সীমানাপারী সহায়তার মাধ্যমে উত্তেজনা তৈরি করছে। এই গোষ্ঠীর মধ্যে জামাত শিবির, বিএনপির কিছু শাখা, এনসিপি, জেএমবি, আনসারুল্লাহ বাংলা টিম এবং আইএসের অংশজীবী কর্মকাণ্ড উল্লেখযোগ্য।

সূত্রগুলো জানাচ্ছে, দেশের বিভিন্ন এলাকায় প্রায় দশ লাখাধিক মানুষকে অস্ত্র প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। এই প্রশিক্ষণ কার্যক্রম স্থানীয় নিরাপত্তা বাহিনী ও সাবেক সেনা কর্মকর্তাদের নজরদারিতে পরিচালিত হচ্ছে। পাহাড়ি এলাকা ও ভারতের সীমান্তবর্তী অঞ্চল ব্যবহৃত হচ্ছে, যেখানে বিজিবি ও সেনাবাহিনীর কিছু অংশের সহযোগিতা থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। স্বাধীনতা বিরোধী এই গোষ্ঠীর অর্থসংস্থানও বিশেষ উৎস থেকে আসছে বলে দাবি করা হচ্ছে।

নতুন অভিযোগ অনুযায়ী, রোহিঙ্গা শরণার্থীদের মধ্যে ভারতবিরোধী মনোভাব তৈরি করতে হেফাজত, জামাত ও কিছু এনজিও সক্রিয় ভূমিকা নিচ্ছে। স্থানীয় সূত্র জানিয়েছে, এই কার্যক্রমে কিছু সেনা কর্মকর্তার সহযোগিতাও রয়েছে। জনমত অনুযায়ী, এই কর্মকাণ্ডের লক্ষ্য সীমান্তবর্তী এলাকায় রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তার এবং ভারতবিরোধী ভাবধারাকে প্রসারিত করা।

কিছু সূত্র দাবি করে যে, সরকারের উচ্চ পর্যায়ের কিছু কর্মকর্তা ও চারজন প্রভাবশালী উপদেষ্টাও এই প্রক্রিয়ায় জড়িত রয়েছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এমন পরিস্থিতি যদি সত্য হয়, তবে এটি কেবল জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি নয়, বরং দেশের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ও আঞ্চলিক সম্পর্কের জন্যও উদ্বেগজনক। নিরাপত্তা সংস্থাগুলোর উচিত স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ ও ত্বরিত তদন্ত শুরু করা, যাতে দেশের জনগণ ও প্রতিবেশী রাষ্ট্রের মধ্যে আস্থা বজায় থাকে।

উলফা সদস্যরা বাংলাদেশে আবারও সক্রিয় হয়ে উঠেছে, যেখানে তাদের উদ্দেশ্য ভারত অস্থিতিশীল করা। সূত্র দাবি করছে, ইউনুস সরকারের মদদে বাংলাদেশি জঙ্গীদের ঐক্যবদ্ধ করা হচ্ছে, যা আঞ্চলিক নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হিসেবে দেখা হচ্ছে।