দিনপত্র ডেস্ক :: মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে রোহিঙ্গা দুই সশস্ত্র গোষ্ঠীর মধ্যে ব্যাপক গোলাগুলি ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে ঘটা এই সংঘর্ষের প্রভাবে বাংলাদেশের সীমান্ত এলাকায় তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।
স্থানীয় ও সীমান্ত সূত্র জানায়, মিয়ানমারের মংডু টাউনশিপের উত্তরাঞ্চলীয় চাকমাকাটা এলাকায় রোহিঙ্গা সশস্ত্র সংগঠন এআরএ (ARA) এবং আরএসও (RSO) সদস্যদের মধ্যে এই সংঘর্ষ শুরু হয়। উখিয়া ব্যাটালিয়ন (৬৪ বিজিবি) এর অধীনস্থ পালংখালী বিওপির দায়িত্বপূর্ণ সীমান্ত পিলার ১৯-২০ এর মধ্যবর্তী শূন্যরেখা থেকে প্রায় ২ কিলোমিটার ভেতরে মিয়ানমারের অভ্যন্তরে এই গোলাগুলি চলে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, সংঘর্ষ চলাকালীন উভয় পক্ষই স্বয়ংক্রিয় আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহার করেছে। প্রায় ২০০ থেকে ২৫০ রাউন্ড গুলির শব্দে প্রকম্পিত হয়ে ওঠে সীমান্ত এলাকা। বিকেল পর্যন্ত থেমে থেমে গুলির শব্দ শোনা গেছে বলে সীমান্তের বাসিন্দারা জানিয়েছেন। তবে এই ঘটনায় এখন পর্যন্ত সুনির্দিষ্ট কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।
মিয়ানমারের ভেতরে এই সংঘর্ষ চললেও পালংখালীসহ পার্শ্ববর্তী বাংলাদেশি গ্রামগুলোতে চরম উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠা বিরাজ করছে। জানমালের নিরাপত্তার কথা চিন্তা করে স্থানীয়রা আতঙ্কে রয়েছেন।
বর্তমানে সীমান্ত পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। কোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে এবং অনুপ্রবেশ রুখতে সীমান্তে নজরদারি ও টহল জোরদার করা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে নিশ্চিত করা হয়েছে,