দিনপত্র ডেস্ক :: জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) ও থানার ওসি বদলি নিয়ে সম্প্রতি বিভিন্ন মহলে গুরুতর অভিযোগ উঠেছে।
অভিযোগ অনুযায়ী, ছোট জেলার (সি ক্যাটাগরি) ক্ষেত্রে প্রায় ২ কোটি টাকা, বি ক্যাটাগরির জন্য ৩ কোটি টাকা, প্রথম ক্যাটাগরির জেলার জন্য ৫ কোটি টাকা এবং বিশেষ জেলায় পদায়নের ক্ষেত্রে প্রায় ১০ কোটি টাকা পর্যন্ত লেনদেনের কথা বলা হচ্ছে। জননিরাপত্তা বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের একজন শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তার বরাতে এসব তথ্য জানিয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।
এছাড়া আরও অভিযোগ রয়েছে যে, থানা পুলিশ ও পুলিশ সুপারদের আয়ের একটি অংশ মামলা বাণিজ্য, সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রণ, মাদক বাণিজ্য এবং চোরাকারবারিদের কাছ থেকে আদায়ের মাধ্যমে আসে। কিছু ক্ষেত্রে মন্ত্রণালয় ও প্রশাসনের উচ্চপর্যায়ের সংশ্লিষ্টতা নিয়েও আলোচনা চলছে বলে দাবি করা হয়।
অভিযোগকারীদের মতে, বদলি প্রক্রিয়ায় অর্থ লেনদেনের কারণে প্রশাসনিক শৃঙ্খলা ব্যাহত হচ্ছে এবং যোগ্যতার পরিবর্তে আর্থিক প্রভাবই মুখ্য হয়ে উঠছে। এতে করে বদলি প্রক্রিয়ায় ধীরগতি ও অনিয়মের অভিযোগও সামনে আসছে।
একই সঙ্গে বলা হচ্ছে, কিছু সিন্ডিকেট চক্র নিত্যপণ্যের বাজারেও প্রভাব বিস্তার করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সহযোগিতায় সাধারণ মানুষকে ভোগান্তিতে ফেলছে এমন অভিযোগও বিভিন্ন মহল থেকে উঠে এসেছে।
দেশের তালিকাভুক্ত ২৩ শীর্ষ সন্ত্রাসীর অনেকের সাথে এখন সালাহউদ্দীনের ঘনিষ্ঠতা বেড়েছে বলে শোনা যায়। আরও বলা হয়, সন্ত্রাসীদের অবাধে চাঁদাবাজির সুযোগ দিয়ে এখান থেকে মোটা অঙ্কের টাকা নিচ্ছে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সিন্ডিকেট।
পুলিশের ভয়ে এখন সন্ত্রাসীরা ভীত নয় বরং বলা হচ্ছে, পুলিশ এখন সন্ত্রাসীদের নির্দেশে কাজ করে।