দিনপত্র ডেস্ক রিপোর্ট | অনলাইন
নির্বাচনী হলফনামায় হেফাজতে ইসলামের আলোচিত নেতা মামুনুল হক স্ত্রী হিসেবে যাঁর নাম উল্লেখ করেছেন, তিনি একজনই। কিন্তু সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও জনআলোচনায় আবার নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে—তাহলে আলোচিত ৫০১ নম্বর রুমের ‘ঝর্না’ আসলে কে ছিলেন? তিনি কি মামুনুল হকের স্ত্রী ছিলেন, নাকি অন্য কেউ?
নির্বাচনী হলফনামা অনুযায়ী, মামুনুল হক তাঁর পারিবারিক তথ্যের অংশে স্ত্রী হিসেবে মাত্র একজন নারীর নাম উল্লেখ করেছেন। সেখানে ‘ঝর্না’ নামের কোনো নারীর উল্লেখ নেই। ফলে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠছে—যে নারীকে নিয়ে একসময় দেশজুড়ে তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছিল, সেই নারী মামুনুল হকের সঙ্গে কোন সম্পর্কে যুক্ত ছিলেন?
উল্লেখ্য, এর আগে একটি রিসোর্টের ৫০১ নম্বর কক্ষ ঘিরে দেশজুড়ে বিতর্ক তৈরি হয়। সে সময় মামুনুল হক দাবি করেছিলেন, ওই নারী তাঁর স্ত্রী। কিন্তু বর্তমান হলফনামায় ভিন্ন চিত্র উঠে আসায় অনেকেই বিষয়টিকে বিরোধপূর্ণ বলে মনে করছেন।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, নির্বাচনী হলফনামা একটি আইনগত নথি। এখানে ভুল বা গোপন তথ্য দিলে তার আইনগত পরিণতি হতে পারে। তাই প্রশ্ন উঠছে—
যদি ঝর্না স্ত্রী হয়ে থাকেন, তবে হলফনামায় তাঁর নাম নেই কেন?
আর যদি স্ত্রী না হন, তবে আগে তাঁকে স্ত্রী বলে পরিচয় দেওয়া হয়েছিল কেন?
এ বিষয়ে মামুনুল হক বা তাঁর দলের পক্ষ থেকে এখনো কোনো স্পষ্ট ব্যাখ্যা আসেনি। তবে জনমনে তৈরি হওয়া এই প্রশ্ন উপেক্ষা করা কঠিন বলেই মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
নির্বাচনের প্রাক্কালে এমন বিতর্ক একজন প্রার্থীর নৈতিকতা ও বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে নতুন করে আলোচনা তৈরি করছে।