শহীদ ক্ষুদিরাম বসুর স্মৃতির প্রতি বাংলাদেশ ছাত্রলীগের শ্রদ্ধাঞ্জলি:

লেখক: নিউজ ডেস্ক
প্রকাশ: ৭ মাস আগে

  • নিউজ ডেস্ক ::শহীদ ক্ষুদিরাম বসুর স্মৃতির প্রতি বাংলাদেশ ছাত্রলীগের শ্রদ্ধাঞ্জলি:
    ‘রুদ্ধশ্বাসে প্রাণ দিলো যে, মুক্ত বাতাস কিনতে’ বলেই স্বাধীনতা ও গণতন্ত্রের জন্য বাংলাদেশ ছাত্রলীগের লড়াই অব্যাহত থাকবেআজ ১১ই আগস্ট, ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনের মহান শহীদ এবং বাঙালি তরুণদের চিরন্তন প্রেরণার উৎস বিপ্লবী ক্ষুদিরাম বসুর ১১৭তম ফাঁসি দিবস। ১৯০৮ সালের এই দিনে মাত্র আঠারো বছর বয়সে তিনি পরাধীনতার শৃঙ্খল ভাঙতে হাসিমুখে জীবন উৎসর্গ করেন। এই মহান বিপ্লবীর প্রতি বাংলাদেশ ছাত্রলীগ গভীর শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করছে।
    ক্ষুদিরাম বসু শুধু একটি নাম নয়, তিনি ব্রিটিশ শাসনের বিরুদ্ধে বাঙালির প্রথম সশস্ত্র প্রতিরোধের এক জ্বলন্ত অগ্নিশিখা।ছাত্রাবস্থাতেই বিপ্লবী রাজনীতির দীক্ষা নিয়ে তিনি স্বদেশী আন্দোলনে যোগ দেন এবং অল্প বয়সেই দুঃসাহসী কার্যকলাপে জড়িয়ে পড়েন। মুজাফফরপুরে ব্রিটিশ বিচারক কিংসফোর্ডকে লক্ষ্য করে বোমা নিক্ষেপের দুঃসাহসিক পদক্ষেপটি ছিল পরাধীন ভারতবর্ষে স্বাধীনতার স্ফুলিঙ্গ। বিচার চলাকালীন সময়েও তিনি ছিলেন নির্ভীক ও অবিচল। রায় ঘোষণার পর তাঁর মুখে হাসি দেখে বিচারকও বিস্মিত হয়েছিলেন। ফাঁসির দড়ি পরানোর সময়ও তাঁর মুখে কোনো ভয় ছিল না, বরং দৃঢ় পদক্ষেপে তিনি এগিয়ে গিয়েছিলেন।

    ক্ষুদিরামের এই আত্মবলিদান আমাদের শেখায়, অন্যায় ও শোষণের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর জন্য বয়স নয়, অদম্য সাহস ও দেশপ্রেমই সবচেয়ে বড় শক্তি। তাঁর সংগ্রাম শুধু ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনের অংশ ছিল না, এটি ছিল স্বাধীনচেতা মানসিকতা ও মুক্তিকামী চেতনার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। সেই ঔপনিবেশিক ব্রিটিশ শাসকদের মতোই আজ এক দখলদার শাসকগোষ্ঠী আমাদের প্রাণের পতাকা খামচে ধরেছে। অবৈধভাবে ক্ষমতা দখলের পর তারা কেড়ে নিয়েছে এদেশের মানুষের বাকস্বাধীনতা এবং প্রগতিশীল শিক্ষার্থীদের শিক্ষার অধিকার থেকে বঞ্চিত করছে। এমনকি মুক্তিযুদ্ধের স্লোগান ‘জয় বাংলা’ বলার অপরাধেও কারারুদ্ধ করা হচ্ছে ক্ষুদিরামের মতো সাহসী তরুণদের।

    আমরা বিশ্বাস করি, বাংলাদেশ ছাত্রলীগের প্রতিটি নেতা-কর্মী ক্ষুদিরাম বসুর সাহসিকতা, দেশপ্রেম ও মুক্তিকামী চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব পুনরুদ্ধারে দৃঢ় সংকল্পবদ্ধ। আমরা বাঙালি জাতির ইতিহাসের এই গৌরবময় অধ্যায়কে চিরকাল শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করবো,বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ ইনান একটি প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই শ্রদ্ধাঞ্জলি জানান ।