বিচার বিভাগের কলঙ্ক,শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে সাজানো মামলার রায় প্রস্তুত করছে ইউনুস সরকার

লেখক: নিউজ ডেস্ক
প্রকাশ: ৬ মাস আগে

নিউজ ডেস্ক :: বাংলাদেশের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে আবারও এক ভয়ংকর অশনি সংকেত দেখা যাচ্ছে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলার সাজানো রায়। বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, ড. ইউনুস নেতৃত্বাধীন অবৈধ সরকার তাদের অবৈধ কর্মকাণ্ড আড়াল করতে ও সেফ এক্সিট” নিশ্চিত করতে এই হাস্যকর মামলার রায় ঘোষণা করতে চায়।

*অভিযোগের অদ্ভুত চিত্র*

মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, শেখ হাসিনা নাকি বিটিভি ভবনে আগুন, মেট্রোরেল প্রকল্পে নাশকতা এবং দেশের বিভিন্ন জেলায় সংঘটিত সহিংসতার জন্য দায়ী এমনকি বলা হচ্ছে, তিনি ৪০০ জনকে হত্যার নির্দেশ দিয়েছেন।
কিন্তু তদন্তের বাস্তবতা একেবারেই ভিন্ন। ওই মামলার তথাকথিত “হত্যাকাণ্ডের তালিকা”-তে থাকা ৫২ জন এখন জীবিত বলে প্রমাণিত হয়েছে। তবুও অবৈধ সরকার এই বিভ্রান্তিকর তথ্য পরিবর্তন করেনি। উদ্দেশ্য একটাই একটি নাটকীয় ও বিভ্রান্তিকর রায় তৈরি করা, যাতে জনগণের সহানুভূতি অন্যদিকে ঘুরে যায় এবং মূল দুর্নীতি, অদক্ষতা ও রাষ্ট্রবিরোধী ষড়যন্ত্রের দায় আড়াল হয়।

*মামলার পেছনে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য*

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই মামলা আইনের নয়—রাজনীতির খেলা। ইউনুস সরকার জানে, তারা জনগণের ভোটে ক্ষমতায় আসেনি। দেশব্যাপী অর্থনৈতিক সংকট, দুর্নীতি, বেকারত্ব ও প্রশাসনিক অচলাবস্থার দায় যখন তাদের ঘাড়ে চেপে বসেছে, তখন তারা জনগণের দৃষ্টি ঘুরিয়ে দিতে চায় শেখ হাসিনার দিকে।
এই নাটকীয় মামলা সেই উদ্দেশ্যেই ব্যবহার করা হচ্ছে একটি প্রতিহিংসাপরায়ণ বিচার, যেখানে সত্য নয়, বরং রাজনৈতিক প্রতিশোধই মুখ্য।

*বিচার বিভাগের জন্য এক কালো অধ্যায়*

যে আদালত সত্যের বদলে রাজনৈতিক নির্দেশে চলে, যে রায় জনগণের বিবেক নয় বরং প্রভুর ইচ্ছায় লেখা হয়—সেই আদালত বিচার বিভাগের জন্য কলঙ্ক।
এই সাজানো রায় যদি বাস্তবে ঘোষণা করা হয়, তবে তা শুধু শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে নয়, বরং বাংলাদেশের পুরো বিচারব্যবস্থার ওপর এক অমোচনীয় দাগ হয়ে থাকবে।
ইতিহাস সাক্ষী, বঙ্গবন্ধুর কন্যা বারবার ষড়যন্ত্রের মুখে পড়েছেন কখনও কারাগারে, কখনও আদালতে। কিন্তু প্রতিবারই জনগণ প্রমাণ করেছে, শেখ হাসিনা মানেই বাংলাদেশের জনগণের আস্থা, স্বাধীনতার প্রতীক।

বিশ্লেষকরা বলছেন, ইউনুস সরকার বুঝে গেছে জনগণ আর তাদের পাশে নেই। তাই তারা এখন আদালতের মাধ্যমে “রাজনৈতিক নাটক” সাজিয়ে একদিকে শেখ হাসিনাকে দুর্বল করতে, অন্যদিকে নিজেদের নিরাপদ প্রস্থান (সেফ এক্সিট) নিশ্চিত করতে চায়।
তাদের ধারণা, এমন এক রায় ঘোষণা করে জনগণের ক্ষোভ অন্যদিকে ঘুরিয়ে দেওয়া যাবে। কিন্তু তারা ভুলে যাচ্ছে জনগণ এখন অনেক সচেতন; তারা জানে এই মামলার একটিও অভিযোগ বাস্তবতার সঙ্গে মেলে না।

বাংলাদেশের মানুষ জানে, শেখ হাসিনা কোনো অপরাধী নন তিনি একজন রাষ্ট্রনায়ক, যিনি সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ, দারিদ্র্য আর দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াই করেছেন নিজের জীবন বাজি রেখে।
তাঁর বিরুদ্ধে সাজানো মিথ্যা মামলার রায় কেবল এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে নয়, বরং জাতির বিবেকের বিরুদ্ধে রায় হবে।
যে বিচার অন্যায়কে ন্যায়ের আসনে বসায়, সেই বিচার ইতিহাসের আদালতে টিকবে না কখনও।