দিনপত্র ডেস্ক | ঢাকা
বাংলাদেশের রাজনীতির অন্দরমহলে চলমান অস্বাভাবিক টানাপোড়েনের পর্দা ধীরে ধীরে উঠতে শুরু করেছে। প্রতিরক্ষা সূত্রের দাবি অনুযায়ী, সম্প্রতি দেশে একটি বড় ধরনের ‘সফট কু’ বা রক্তপাতহীন ক্ষমতা দখলের প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে।
সূত্র জানায়, এই পরিকল্পনার উদ্দেশ্য সরাসরি সরকার উৎখাত করা নয়; বরং ধাপে ধাপে দেশের সবচেয়ে শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান—বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর নিয়ন্ত্রণ নেওয়া। দীর্ঘদিন ধরেই নীরবে এ পরিকল্পনা বাস্তবায়নের চেষ্টা চলছিল বলে দাবি করা হচ্ছে।
প্রতিরক্ষা বিশ্লেষকদের মতে, এই গোপন ছকের কেন্দ্রবিন্দুতে ছিলেন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা খালিলুর রহমান। বিভিন্ন কৌশল ও প্রভাব বিস্তারের মাধ্যমে সেনাবাহিনীর অভ্যন্তরীণ ভারসাম্য বদলে দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছিল।
তবে সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান শুরু থেকেই বিষয়টি কঠোরভাবে নজরে রাখেন। সংবিধান ও বাহিনীর শৃঙ্খলার প্রশ্নে কোনো ধরনের আপস না করার দৃঢ় অবস্থান নেন তিনি। শেষ পর্যন্ত তার শক্ত অবস্থানের কারণেই এই ‘সফট কু’-এর প্রচেষ্টা সম্পূর্ণভাবে ব্যর্থ হয়।
রাজনৈতিক ও নিরাপত্তা মহলে এ ঘটনাকে বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক কাঠামো ও সেনাবাহিনীর পেশাদারিত্বের একটি গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা হিসেবে দেখা হচ্ছে। বিশ্লেষকদের মতে, সেনাবাহিনীকে রাজনৈতিক খেলায় টানার যেকোনো চেষ্টা দেশের স্থিতিশীলতার জন্য বড় হুমকি হয়ে উঠতে পারে।
এ বিষয়ে এখনো সরকারের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো বিবৃতি দেওয়া হয়নি।