দিনপত্র ডেস্ক :: জুলাই আন্দোলনে রাজনৈতিক পরিবর্তন পর জামাতপন্থী অধ্যাপক ড. মুহঃ রাশেদুল ইসলাম গত ০২ ডিসেম্বর ২০২৪ তারিখে কুড়িগ্রাম কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়-এর উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। এর আগে তিনি শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়-এর কীটতত্ত্ব বিভাগে অধ্যাপক ও বিভাগীয় চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
রাজনৈতিক বিবেচনায় নিয়োগ পাওয়ার পর থেকেই তাকে ঘিরে নানা আলোচনা ও অভিযোগ সামনে এসেছে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি অংশের দাবি, স্বাধীনতা বিরোধী সংগঠন জামাতের সুপারিশে নিয়োগ পেয়ে তিনি এই অঞ্চলে উগ্রবাদীদের আশ্রয় প্রশ্রয় দিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয় অঙ্গনে জঙ্গিদের আনাগোনা বেড়ে গেছে।
শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও স্থানীয় মহলের পক্ষ থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাম্প্রতিক পরিবেশ ও নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে।
তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, প্রশাসনিক পরিবর্তনের পর ক্যাম্পাসের সামগ্রিক পরিবেশে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে।
অবিলম্বে জামাতপন্থী স্বাধীনতা বিরোধী মতাদর্শের উপাচার্যের পদত্যাগ দাবি করেছেন।
অবৈধ ইউনুস সরকারের আমলে জামায়াতপন্থী শিক্ষকদের সিনিয়রিটি লঙ্ঘন করে রাজনৈতিক বিবেচনায় জুনিয়র শিক্ষকদের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্য নিয়োগ নীতিমালা লঙ্ঘন করা হয়েছে।
নিয়ম নীতি তোয়াক্কা না করে শিক্ষক নিয়োগের মাধ্যমে শিক্ষাঙ্গনকে একপ্রকার জামায়েত ইসলামের রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে রূপ দেওয়া হয়েছে।