বিডিআর হত্যাকাণ্ড: রাজনৈতিক বিতর্কে আবারও আলোচনায় ২০০৯ সালের ঘটনাপ্রবাহ,

লেখক: আর এস রাসেল
প্রকাশ: ১২ ঘন্টা আগে

দিনপত্র ডেস্ক :: বিডিআর (বর্তমান বিজিবি) সদর দপ্তর পিলখানায় ২০০৯ সালের ২৫-২৬ ফেব্রুয়ারির মর্মান্তিক হত্যাকাণ্ড নিয়ে আবারও আলোচনা শুরু হয়েছে। এ ঘটনাকে ঘিরে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জাতীয় সংসদে দেওয়া বক্তব্য, সে সময় প্রকাশিত বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ও দেশীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন এবং রাজনৈতিক বিশ্লেষণ নতুন করে আলোচনায় এসেছে।
২০২৩ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি জাতীয় সংসদে দেওয়া বক্তব্যে শেখ হাসিনা দাবি করেন, বিডিআর হত্যাকাণ্ডের আগের রাতে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সঙ্গে লন্ডন থেকে একাধিকবার ফোনে যোগাযোগ করা হয়েছিল এবং তাকে বাসভবন ত্যাগ করতে বলা হয়। তিনি আরও দাবি করেন, ঘটনার আগে পাকিস্তানের বিশেষ দূত মির্জা জিয়া ইস্পাহানি যুদ্ধাপরাধীদের বিচার না করার আহ্বান জানিয়েছিলেন এবং পরবর্তীতে তার সঙ্গে খালেদা জিয়ার বৈঠক নিয়েও প্রশ্ন তোলেন।
এছাড়া প্রধানমন্ত্রী তার বক্তব্যে অভিযোগ করেন, বিডিআর হত্যাকাণ্ডে জড়িত কয়েকজন সদস্য বিএনপি-জামায়াত সরকারের সময় নিয়োগপ্রাপ্ত ছিলেন এবং এ ঘটনায় রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা প্রয়োজন।
অন্যদিকে, ২০০৯ সালের ফেব্রুয়ারিতে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম Daily Times, Dawn এবং বাংলাদেশের New Age-এ প্রকাশিত প্রতিবেদনে পাকিস্তানের বিশেষ দূতের যুদ্ধাপরাধের বিচার স্থগিত রাখার আহ্বান এবং বাংলাদেশে তার সমালোচনার বিষয়টি উঠে আসে।
তবে বিডিআর হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত পরিকল্পনাকারী বা পেছনের রাজনৈতিক উদ্দেশ্য নিয়ে বিভিন্ন পক্ষের ভিন্ন ভিন্ন মত রয়েছে। এ বিষয়ে আদালতের রায়ে বহু আসামির সাজা হলেও ঘটনাটির নেপথ্য কারণ নিয়ে বিতর্ক পুরোপুরি শেষ হয়নি।
উল্লেখ্য, প্রতিবেদনে উল্লিখিত বিভিন্ন দাবি সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও রাজনৈতিক পক্ষগুলো অস্বীকার করেছে বা এ বিষয়ে ভিন্ন অবস্থান ব্যক্ত করেছে। বিডিআর হত্যাকাণ্ডের নেপথ্য কারণ নিয়ে এখনও বিভিন্ন রাজনৈতিক ব্যাখ্যা ও বিশ্লেষণ বিদ্যমান।