দিনপত্র ডেস্ক :: বাংলাদেশ বহুবার ষড়যন্ত্রের মধ্যে পড়েছে, এবারও তাই, আমরা যারা আওয়ামীলীগ করি তারা আল্লাহ ছাড়া কাউকে ভয় পাই না।
বিএনপির কোন কোন নেতা আমাদের নেতা কর্মীদের হাত পা ধরে নির্বাচনে ভোট চেয়েছিল,তখন তারা বলেছিল জামায়াত ঠেকাও কিন্তু নির্বাচনে জয়ী হওয়ার পর তারা পল্টি নিয়েছে।
আমরা জনগনের দল, আমাদের ঠেকায় কে, আমরা পিছু হাটার দল নয়।
তিনি নেতা কর্মীদের সুসংগঠিত বলেন এবং বলেন অবৈধ ইউনুস সরকার আওয়ামীলীগকে ষড়যন্ত্র করে দেশত্যাগে বাধ্য করেছিল, এর সাথে দেশী ও বিদেশি ষড়যন্ত্রকারীরা জড়িত।
মির্জা ফকরুল ইসলাম আলমগীরের কথার উত্তর দিতে গিয়ে বলেন, যদি আমাদের নিষিদ্ধ রেখে বিএনপি ক্ষমতায় থাকতে পারত তবে কথা ছিল না।
কিন্তু বিএনপি একা এই যুদ্ধাপরাধী প্রধানবিরোধী দল,রাজাকারের দল, মানুষ হত্যাকারীর দল কে সামাল দেওয়া আপনাদের জন্য অসাধ্য হয়ে যাবে।
অপরাধীরা সংখ্যায় কম হলেও খুনের রাজনীতিতে সব দলকে হার মানায়, আপনারা এদের বন্ধু ভাবলে ভুল করবেন।
বিএনপি আমাদের রাজনৈতিক শত্রু কিন্তু রাষ্ট্রীয় শত্রু নয়।বিএনপিও যদি রাজনৈতিক প্রতিশোধ নিতে চায় তবে বিএনপির ক্ষতি বেশি হবে।
আমি বিএনপিকে বলবো রাজনৈতিক শত্রু ভাল কিন্তু রাষ্ট্রীয় শত্রু ভাল না। দেশের বাহির হতে একটি গ্রুপ আপনাদের দলের ও সরকারের ক্ষতি করার জন্য উঠে পড়ে লেগেছে, তাদের লাগাম টানেন, ওরা জামায়াতের লবিষ্ট, তারা জামায়াতের কাছ থেকে টাকা খেয়ে অনলাইনের অপপ্রচার করে যাচ্ছে।
আমাদের বিরুদ্ধেও এরা অপপ্রচারে লিপ্ত ছিল।দেশকে বাচাতে ঐক্যবদ্ধ রাজনীতির প্রয়োজন থাকলে আমরা প্রস্তুত আছি।
আমাদের নেতারা প্রস্তুত থাকুন, আমরা যে কোন সময় দেশে ফিরব, আমাদের কেউ ঠেকাতে পারবে না, আওয়ামীলীগের জোয়ার কেমন তা সবার জানা আছে,এই জোয়ারের পানিতে সব শত্রু ও খুনিরা ভেসে যাবে, আওয়ামীলীগের বিজয় হবে।
আমাদের নেতা কর্মীরা অনলাইনে সক্রিয় থাকবে, শত্রুকে মোকাবেলা করতে। অন্যায়ের জবাব দিন, নিজেরাও নিরাপদে থাকুন।
অতীতের আওয়ামীলীগ আর এখনকার আওয়ামীলীগের মধ্যে অনেক পার্থক্য, এখন আরও বেশি শক্তিশালি আওয়ামীলীগ।
আপনাদের উপর যে রাজনৈতিক নির্যাতন হচ্ছে তা আমরা জানি, এর প্রতিদান পাবেন।
সূত্রঃ অনলাইন টকশো।