বিশেষ প্রতিনিধি, আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
শান্তি সম্মেলন রূপ নিল তুমুল অশান্তিতে! সম্মেলন চলাকালীন ডোনাল্ড ট্রাম্পের স্বভাবসুলভ এক “তীব্র হুমকির” (Threat) পর রাগে-ক্ষোভে ফুঁসতে ফুঁসতে সম্মেলন কক্ষ ত্যাগ করেছে ইরানের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দল (Delegation)। তবে মূল টুইস্টটি আসে তখনই, যখন ইরান দল চলে যাওয়ার ঠিক আগমুহূর্তে বিষয়টি পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীকে অফিসিয়ালি অবহিত করে।
ইরানের ঝোড়ো এক্সিট
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ট্রাম্পের বক্তব্য শেষ হতে না হতেই ইরানের ডেলিগেশনের প্রধান লাল মুখ করে দাঁড়িয়ে পড়েন। পাশে থাকা পাকিস্তানি প্রধানমন্ত্রীর দিকে ঝুঁকে ফিসফিস করে (কিন্তু বেশ চড়া গলায়) বলেন, “মিস্টার প্রাইম মিনিস্টার, ট্রাম্পের এই থ্রেট আমরা বরদাস্ত করব না। আমরা এখনই এই সম্মেলন বর্জন করছি। খোদা হাফেজ!”
ব্যাস! পাকিস্তানি প্রধানমন্ত্রী কিছু বুঝে ওঠার আগেই ইরানের পুরো টিম ফাইলপত্র বগলদাবা করে হনহন করে দরজার দিকে রওনা দেয়।
পাক প্রধানমন্ত্রীর সেই ঐতিহাসিক রিয়েকশন!
ইরানি প্রতিনিধি দল ঘর থেকে বের হয়ে যাওয়ার পর পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর মুখের অভিব্যক্তি ছিল দেখার মতো। সেখানে উপস্থিত ক্যামেরাম্যানদের কল্যাণে সেই রিয়েকশনের ভেতরের গল্প জানা গেছে:
প্রথম ৩ সেকেন্ড (ব্ল্যাঙ্ক লুক): পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী কিছুক্ষণ শূন্য দৃষ্টিতে দরজার দিকে তাকিয়ে রইলেন। তার মুখের ভাব দেখে মনে হচ্ছিল, তিনি মনে মনে হিসাব মেলাচ্ছেন—”ঘটনা কী ঘটল? এরা চায়ের বিল না দিয়েই চলে গেল নাকি?”
পরের ৫ সেকেন্ড (নথিপত্র ঘাঁটাঘাঁটি): পরিস্থিতি সামাল দিতে তিনি দ্রুত তার সামনের ফাইলের পাতা উল্টাতে শুরু করলেন (যদিও ফাইলটি উল্টো ছিল)।
চূড়ান্ত রিয়েকশন (পাশে থাকা উপদেষ্টাকে): ইরানের টিম রুম থেকে বের হতেই পাক প্রধানমন্ত্রী তার পাশে বসা পররাষ্ট্র উপদেষ্টার দিকে ঝুঁকে অত্যন্ত অসহায় গলায় বললেন:
”আরে ভাই, এরা তো রাগ করে চলে গেল! কিন্তু ট্রাম্প ইংরেজিতে কী থ্রেট দিল, সেটা তো আমি পুরোটা বুঝতেই পারলাম না! এখন আমরা কি এখানে থাকব, নাকি আমাদেরও ফাইলপত্র গুছিয়ে বের হয়ে যাওয়া উচিত? একটু উর্দুতে অনুবাদ করে দাও তো আগে!”
সম্মেলন কক্ষের গুঞ্জন
পাক প্রধানমন্ত্রীর এই নিষ্পাপ এবং বিভ্রান্ত রিয়েকশন দেখে পেছনের সারিতে বসা অন্যান্য দেশের কূটনীতিকরা নিজেদের হাসি চেপে রাখতে পারছিলেন না। ট্রাম্পের থ্রেটে যেখানে পুরো সম্মেলন কক্ষে পিনপতন নীরবতা থাকার কথা, সেখানে পাক প্রধানমন্ত্রীর এই “আমি এখন কী করব?” টাইপ চেহারার কারণে পরিবেশ হালকা হয়ে যায়।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ইতিমধ্যেই পাক প্রধানমন্ত্রীর এই হাঁ করে তাকিয়ে থাকার দৃশ্যটি বছরের সেরা
‘মিম’ (Meme) হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে!