দিনপত্র ডেস্ক :: রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আইন সংবিধান। এই সংবিধানই নির্ধারণ করে ক্ষমতার উৎস, সীমা ও বৈধতার ভিত্তি। সংবিধান উপেক্ষিত হলে শুধু একটি সরকার নয় পুরো রাষ্ট্রব্যবস্থাই অনিশ্চয়তার মুখে পড়ে। সেই প্রেক্ষাপটে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালনকারী ড: ইউনুস এর বিরুদ্ধে সংবিধানবিরোধী কর্মকাণ্ডের যে অভিযোগ উঠেছে, তা গভীর গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা জরুরি।
অভিযোগ রয়েছে, সাংবিধানিক প্রক্রিয়া ও ক্ষমতার সীমা লঙ্ঘন করে এমন কিছু সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল, যা দেশে রাজনৈতিক অস্থিরতা ও গণতান্ত্রিক সংকটকে তীব্র করেছে।
গণতন্ত্রে কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠী সংবিধানের ঊর্ধ্বে নন সম্মান, আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি বা জনপ্রিয়তা কারও জন্য দায়মুক্তির ঢাল হতে পারে না।
তবে একই সঙ্গে একটি মৌলিক সত্য স্মরণ রাখা প্রয়োজন—অভিযোগ মানেই অপরাধ প্রমাণ নয়। ন্যায়বিচারের স্বার্থে নিরপেক্ষ তদন্ত, প্রমাণভিত্তিক বিশ্লেষণ এবং বিচারিক সিদ্ধান্ত অপরিহার্য।
ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক নেতৃত্বের জন্যও এখানে স্পষ্ট বার্তা রয়েছে। তারেক রহমানের নেতৃত্বে সরকারের দায়িত্ব হবে অভিযোগের নিরপেক্ষ ও আইনি নিষ্পত্তি নিশ্চিত করা। বিচারহীনতা কেবল অতীতকে আড়াল করে না তা ভবিষ্যতের দায়ও তৈরি করে।
আজকের যুগে গণতন্ত্র কেবল নির্বাচনের মাধ্যমে টিকে থাকে না টিকে থাকে জবাবদিহি, স্বচ্ছতা ও আইনের শাসনের ওপর।
তাই ড. ইউনুসের বিরুদ্ধে সংবিধানবিরোধী কর্মকাণ্ডের নিরপেক্ষ বিচার হোক। অভিযোগ প্রমাণিত হলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হোক প্রমাণিত না হলে স্পষ্টভাবে তা জানানো হোক।
কারণ গণতন্ত্রের শক্তি ব্যক্তি-নির্ভর নয় প্রতিষ্ঠান-নির্ভর। আর প্রতিষ্ঠানকে শক্তিশালী করার একমাত্র পথ হলো সংবিধানের প্রতি অবিচল আনুগত্য।