নিউজ ডেস্ক:: রংপুর নগরীর হারাটি উচ্চ বিদ্যালয়ে যা ঘটেছে, তা শুধু একটি প্রতিষ্ঠানের লজ্জা নয় বরং আমাদের গোটা শিক্ষাব্যবস্থার জন্য কলঙ্কজনক এক অধ্যায়। বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ইমতিয়াজ আহমদ ইমতি যিনি নিজেকে আবার ‘বৈষম্য বিরোধী নেতা’ বলে পরিচয় দেন অর্ধশতাধিক শিক্ষার্থীকে বেত দিয়ে পেটানোর অভিযোগে অভিযুক্ত হয়েছেন।
প্রশ্ন হলো, যে ব্যক্তি শিক্ষার্থীর কল্যাণ রক্ষার দায়িত্বে, সে যদি শিশু-কিশোরের গায়ে হাত তোলে, তবে তাকে কি নেতা বলা যায়, নাকি এক নির্মম স্বৈরাচারী? শিক্ষার্থীরা আজ আতঙ্কিত, অভিভাবকেরা ক্ষুব্ধ, আর পুরো এলাকাজুড়ে ক্ষোভের ঝড় বইছে।
শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শৃঙ্খলা মানে সন্ত্রাস নয়, মানে মানবিকতা। কিন্তু ইমতির মতো ব্যক্তির হাতে শৃঙ্খলা মানে ভয়ের রাজত্ব কায়েম করা। যিনি বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনের কথা বলেন, তিনিই আবার শিক্ষার্থীর গায়ে বেত তোলেন এটা ভণ্ডামি ছাড়া আর কিছু নয়।
আমরা স্পষ্ট করে বলতে চাই এই ঘটনায় দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হতেই হবে। না হলে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অমানবিকতার এই সংস্কৃতি আরও ছড়িয়ে পড়বে। শিক্ষার্থীর গায়ে হাত তোলার কোনো অধিকার কারো নেই সভাপতিরও নয়।
আজ সময় এসেছে শিক্ষাঙ্গনকে ভয়, নির্যাতন আর সন্ত্রাসের হাত থেকে মুক্ত করার। শিশুদের চোখের ভয়ে নয়, ভালোবাসায় আলোকিত হোক শিক্ষার পরিবেশ।