নিউজ ডেস্ক :: জনপ্রশাসন সচিব নিয়োগকে ঘিরে প্রশাসনে এখন তীব্র আলোচনা চলছে। সরকারের অভ্যন্তরে “জামাতপন্থী প্রভাব” নিয়ে নতুন করে বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। সূত্রমতে, প্রধান উপদেষ্টার দপ্তর ঘিরে এই নিয়োগ প্রক্রিয়ায় নানা পক্ষ সক্রিয় রয়েছে এবং প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
কয়েকটি দায়িত্বশীল সূত্র দাবি করেছে, জনপ্রশাসন সচিব নিয়োগে অস্বচ্ছ প্রক্রিয়া চলছে এবং কিছু কর্মকর্তা রাজনৈতিক আনুগত্যের ভিত্তিতে বিবেচিত হচ্ছেন। আলোচনায় উঠে এসেছে জননিরাপত্তা বিভাগের সচিব নাসিমুল গনি এবং গৃহায়ন ও গণপূর্ত সচিব নজরুল ইসলামের নাম। তাঁদের একজনের জামায়াতপন্থী গোষ্ঠীর সঙ্গে সম্পর্ক এবং অন্যজনের ইসলামী সংগঠনের ঘনিষ্ঠতা নিয়ে বিভিন্ন মহলে প্রশ্ন উঠেছে। তবে এসব অভিযোগের কোনো সরকারি নিশ্চয়তা এখনো পাওয়া যায়নি।
প্রশাসনের ভেতরের একাধিক সূত্র জানিয়েছে, সচিব নিয়োগ প্রক্রিয়ায় একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক গোষ্ঠীর আর্থিক প্রভাব খাটানোর অভিযোগও উঠেছে। বলা হচ্ছে, জনপ্রশাসন সচিব নিয়োগে জামাত ইসলামী ঘরানার একটি গোষ্ঠী প্রভাব বিস্তারের লক্ষ্যে প্রায় ১০০ কোটি টাকার ফান্ডিং দিয়েছে।
নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিদের মতে, রাষ্ট্রীয় প্রশাসনের মতো গুরুত্বপূর্ণ পদে এমন অভিযোগ উঠা প্রশাসনের ভাবমূর্তির জন্য বিপজ্জনক। তাঁরা মনে করেন, নিয়োগ প্রক্রিয়া যদি স্বচ্ছ ও যোগ্যতাভিত্তিক না হয়, তবে তা প্রশাসনিক স্থিতিশীলতা ও সরকারের প্রতি জনআস্থা উভয়কেই ক্ষতিগ্রস্ত করবে।
সরকারি সূত্র এখনো এ বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য দেয়নি।