হিজবুত তাহরীর ও এর বাংলাদেশ প্রধান,

লেখক: সুমিত বিশ্বাস
প্রকাশ: ৩ মাস আগে

দিনপত্র ডেস্ক :: গোয়েন্দা সংস্থাগুলো কয়েক বছর ধরে দেশে হিজবুত তাহরীরের উপস্থিতি নিয়ে সরকারকে সতর্ক করে আসছিল। ২০০৫ সালের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, সংগঠনটি যে কোনো সময় উগ্রবাদী রূপ নিতে পারে—এমন আশঙ্কা রয়েছে এবং তাদের ওপর নজরদারি বাড়ানোর সুপারিশ করা হয়।
ইসলামী চিন্তাবিদ তকি উদ্দিন আন-নাবহানি ১৯৫৩ সালে জেরুজালেমে হিজবুত তাহরীর প্রতিষ্ঠা করেন।
গোলাম মাওলা ১৯৯৩ সালে পিএইচডি করতে লন্ডনে গেলে রিজেন্ট পার্কে নাসিমুল গনি ও কাউসার শাহনেওয়াজের সঙ্গে পরিচিত হন। ২০০০ সালে দেশে ফিরে নাসিমুল গনি ও শাহনেওয়াজ ধানমন্ডি ৬/এ এলাকায় একটি কোচিং সেন্টারে বাংলাদেশ শাখার কার্যালয় স্থাপন করেন এবং গোলাম মাওলার নেতৃত্বে কার্যক্রম শুরু হয়।
সংগঠনটির কোনো আনুষ্ঠানিক কমিটি বা সংবিধান নেই বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়। গোলাম মাওলা সমন্বয়কের দায়িত্বে ছিলেন এবং তার সঙ্গে আরও কয়েকজন শিক্ষক যুক্ত ছিলেন।
হিজবুত তাহরীর বিশ্বব্যাপী একটি ইসলামি খেলাফত প্রতিষ্ঠার আদর্শ প্রচার করে। তাদের মতে, মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশগুলো “দারুল কুফর” এবং সেগুলোকে প্রথমে “দারুল ইসলাম”-এ রূপান্তর করতে হবে।
প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, পশ্চিমা দেশ ও অনেক মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশে সংগঠনটি নিষিদ্ধ থাকলেও সে সময় বাংলাদেশে তারা কার্যক্রম পরিচালনা করছিল। তাদের ওয়েবসাইটে বর্ণবাদী ও ইহুদিবিদ্বেষী বক্তব্য এবং সহিংসতার পক্ষে অবস্থানের অভিযোগও ছিল।

নিউজ লিংক কমেন্টে 👇👇👇