ঢাকা, ৬ মার্চ ২০২৬:
ঐতিহাসিক ৭ মার্চ উপলক্ষে বিভিন্ন কর্মসূচি ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ। সংগঠনটির কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদ এক বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ভাষণের তাৎপর্য তুলে ধরতে দেশব্যাপী নানা কর্মসূচি পালন করা হবে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ১৯৭১ সালের ৭ মার্চ ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ভাষণ ছিল বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের এক অনন্য দিকনির্দেশনা। সেই ভাষণের আহ্বানেই বাঙালি জাতি মুক্তিযুদ্ধের চূড়ান্ত প্রস্তুতি নেয় এবং স্বাধীনতার পথে অগ্রসর হয়।
বাংলাদেশ ছাত্রলীগ মনে করে, ৭ মার্চের ভাষণ শুধু একটি রাজনৈতিক বক্তব্য নয়; এটি ছিল একটি জাতির মুক্তির সনদ। ভাষণটি বাঙালির আত্মপরিচয়, সাহস এবং সংগ্রামের প্রেরণা জুগিয়েছে। ২০১৭ সালে ইউনেস্কো এই ভাষণকে “Memory of the World International Register”-এ অন্তর্ভুক্ত করে, যা এর আন্তর্জাতিক স্বীকৃতির প্রমাণ।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, সাম্প্রতিক সময়ে দেশের ইতিহাস ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে বিকৃত করার বিভিন্ন অপচেষ্টা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। এসব অপচেষ্টার বিরুদ্ধে নতুন প্রজন্মকে সজাগ থাকতে এবং বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ধারণ করার আহ্বান জানিয়েছে সংগঠনটি।
ঐতিহাসিক এই দিনটি উপলক্ষে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ দেশব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে—
ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন
টুঙ্গিপাড়ায় বঙ্গবন্ধুর সমাধিসৌধে শ্রদ্ধা নিবেদন
শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও পাড়া-মহল্লায় ৭ মার্চের ভাষণ প্রচার
সামাজিক মাধ্যমে ঐতিহাসিক ভাষণের তাৎপর্য তুলে ধরা
অনলাইন প্ল্যাটফর্মে আলোচনা সভা, ওয়েবিনার ও পডকাস্ট আয়োজন
সংগঠনটি জানায়, ৭ মার্চের চেতনা ধারণ করে একটি অসাম্প্রদায়িক, গণতান্ত্রিক ও উন্নত বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ে ছাত্রলীগ কাজ করে যাবে।
বিজ্ঞপ্তির শেষে বলা হয়, “এই মার্চ আমাদের জন্য শুধু একটি স্মরণীয় দিন নয়; এটি সাহস, আত্মপরিচয় ও সংগ্রামের অনিঃশেষ প্রেরণা।”
জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু।