দিনপত্র ডেস্ক :: আওয়ামীলীগের ভবিষ্যত খুব ভালো তারা ফিরে আসবে, কোন দল শেষ হয়ে যায় নাঃ বিগ্রেডিয়ার জেনারেল সাখাওয়াত হোসেন,সাবেক উপদেষ্টা।
বিগ্রেডিয়ার জেনারেল সাখাওয়াত হোসেন একটি টকশোতে বলছেন,আওয়ামীলীগ টু ডে অর টু মোরো ফিরে আসবে, একটি স্বাধীনতার পক্ষের বিশাল দল শেষ হয়ে যাবে না।
তিনি বলেন আমাদের দেশের মানুষ দুই ভাগে বিভক্ত, প্রো- আওয়ামীলীগ আর প্রো- বিএনপি। বাংলাদেশ কে দুটি দল ই আগে আর পরে স্বাধীনতার পক্ষে ছিল।দুটি দলেই মুক্তি যোদ্ধারা সক্রিয়,দল দুটি ঐতিহ্যবাহী দল।
একটি পক্ষ শেখ মুজিব কে বিবাদী বানায়,তারা দেশের ইতিহাস কে বিকৃতি করতে ব্যস্ত।পৃথিবীর প্রত্যেক টি দেশ তাদের নিজস্ব ইতিহাসের উপর দাড়িয়ে, আমাদেরও তাই।
আওয়ামীলীগের জন্ম মুসলিমলীগ দিয়ে বিধায় তারাই পুরাতন ও স্বাধীন বাংলাদেশের নেতৃত্বদানকারী দল।
বিএনপির ইতিহাস ও মুক্তিযুদ্ধ দিয়ে, তারা দেশের জন্য অনেক কিছু করেছে।
আমাদের দেশের কিছু দল রয়েছে যারা মুক্তি যুদ্ধের ইতিহাস মানুষ কে শিখাতে চায় না এবং আজকালকের ছেলে মেয়েরা শুধু পয়সা চায় তারা না জেনে না বুঝে বিকৃত ইতিহাস চর্চা করে।
দলের উত্থান পতন থাকবে কিন্তু শেষ হবে না, কোন দলকে নিষিদ্ধ করার পক্ষে আমি নই,অতীতে ও ছিলাম না,তবে হা যদি কোন দলের নেতৃত্বদানকারী প্রধানরা অপরাধ করে থাকে তার বিচার হবে, তাদের দল বিলুপ্ত করার সুযোগ দেখি না।
নিষিদ্ধ হওয়ার মতো অনেক দল বাংলাদেশে ছিল,এখনো আছে,তাদের নিষিদ্ধ করার মতো বহু দালিলিক প্রমাণ দেশে এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে রয়েছে, তার পরও তো তারা সক্রিয় রাজনীতিতে তবে আওয়ামীলীগ নিষিদ্ধ হবে কেন?
আমি কোন দলের রাজনীতির সাথে জড়িত নই, আমি সত্য ও ইনসাফের কথা বললে হয়ত অনেকের গায়ে জ্বালা ধরতে পারে তার পরও সত্য কখনো লুকিয়ে রাখা যায় না, সত্য প্রকাশ হয়ে যায়।
তিনি গত নির্বাচনের কথা উল্লেখ করে বলেন নির্বাচন ফেয়ার হয়েছে, কোন দল হেরে গেলে তাদের নিকট কারচুপির হিসাব টা ই আসে,সেটা যে দল ই হোক।পৃথিবীর ১৪৬টি নির্বাচন পর্যবেক্ষক দল আমাদের গত নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করেছিল,কেউ বলেনি নির্বাচন ফেয়ার হয়নি।
তাহলে হেরে যাওয়া দলের কথায় কি আসে যায়, যারা নির্বাচন করে তারা রাজনৈতিক ষ্ট্যান্ডবাজির জন্য অনেক কথা বলবেন সেটা রাজনৈতিক উদ্দেশ্য।
তিনি আওয়ামীলীগের নেতা কর্মীদের গ্রেফতার প্রসঙ্গে বলেন নিরপরাধ সমর্থনকারী বা নেতাদের গ্রেফতার কাম্য হতে পারে না। তিনি কিছু দল একক আধিপত্য বিস্তার করতেও রাজনীতিতে ফিরতে দিতে চায় না, তারাই আওয়ামীলীগের মুক্তিযুদ্ধ পরবর্তী শত্রু।