দিনপত্র ডেস্ক :: মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদ ব্যাপক কর্মসূচি ঘোষণা করেছে। ২৫ মার্চের গণহত্যা থেকে ২৬ মার্চ স্বাধীনতার সূর্যোদয়—এই ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট স্মরণে জাতির বীর শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ কালরাতে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর নির্মম হত্যাযজ্ঞের মাধ্যমে বাঙালি জাতির ওপর ইতিহাসের অন্যতম বর্বর আঘাত নেমে আসে। কিন্তু সেই অন্ধকার ভেদ করেই ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতার সূচনা হয়, জাতির পিতা শেখ মুজিবুর রহমান-এর আহ্বানে শুরু হয় মুক্তিযুদ্ধ।
শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা ও স্বাধীনতার অঙ্গীকার
বাংলাদেশ ছাত্রলীগ জানায়, মহান মুক্তিযুদ্ধে শহীদ ৩০ লাখ শহীদ ও ২ লাখ নির্যাতিত মা-বোনের আত্মত্যাগের বিনিময়ে অর্জিত হয়েছে এই স্বাধীনতা। তাদের রক্তের বিনিময়ে রচিত হয়েছে বাংলাদেশের লাল-সবুজের পতাকা।
সংগঠনটি আরও জানায়, স্বাধীনতার চেতনা—গণতন্ত্র, জাতীয়তাবাদ, ধর্মনিরপেক্ষতা ও সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় ছাত্রলীগ অতীতের মতো ভবিষ্যতেও অগ্রণী ভূমিকা পালন করবে।
কেন্দ্রীয় কর্মসূচি
স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে ঘোষিত কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে—
সূর্যোদয়ে: কেন্দ্রীয় কার্যালয়সহ সারাদেশে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন
জাতীয় স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা: বীর শহীদদের প্রতি পুষ্পস্তবক অর্পণ
ধানমন্ডি ৩২-এ শ্রদ্ধা নিবেদন: জাতির পিতার প্রতিকৃতিতে ফুল দেওয়া
বিশেষ আয়োজন
আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান
মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক কুইজ, রচনা প্রতিযোগিতা ও চলচ্চিত্র প্রদর্শনী
সৃজনশীল কনটেন্ট তৈরি ও প্রকাশনা কার্যক্রম
দরিদ্র ও অসহায় মানুষের মাঝে খাদ্য ও বস্ত্র বিতরণ
নির্দেশনা
সংগঠনের সকল ইউনিটকে কেন্দ্রীয় নির্দেশনা অনুযায়ী শৃঙ্খলা বজায় রেখে কর্মসূচি বাস্তবায়নের আহ্বান জানানো হয়েছে।
শেষে ছাত্রলীগ নেতৃবৃন্দ বলেন,
“স্বাধীনতার চেতনা ধারণ করে এগিয়ে চলাই আমাদের অঙ্গীকার।”
জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু।