দিনপত্র ডেস্ক :: সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ইতিহাস, ধর্মীয় পরিচয় ও জাতিসত্তা নিয়ে একটি দীর্ঘ পোস্ট ভাইরাল হয়েছে। সেখানে দাবি করা হয়েছে, ‘হিন্দু’ মূলত কোনো ধর্মের নাম নয়; বরং সিন্ধু (ইন্ডাস) নদীকেন্দ্রিক একটি সভ্যতা ও সাংস্কৃতিক পরিচয়ের নাম। সেই যুক্তিতে সিন্ধু নদ পাকিস্তানের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় পাকিস্তানিদেরও ‘হিন্দু’ বলা যেতে পারে—এমন মন্তব্য করা হয়েছে।
ভাইরাল পোস্টে আরও বলা হয়, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর উপনিবেশবাদ, ভারত বিভাজন, পাকিস্তান ও ইসরায়েলের জন্মসহ বিভিন্ন ঐতিহাসিক ঘটনা নির্দিষ্ট রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে পরিচালিত হয়েছিল। পাশাপাশি ‘দ্বি-জাতিতত্ত্ব’ ও ‘মুসলিম জাতি’ ধারণা নিয়েও প্রশ্ন তোলা হয়েছে।
তবে ইতিহাসবিদদের মধ্যে এসব বিষয়ে একক মত নেই। বিশেষজ্ঞদের মতে, ‘হিন্দু’ শব্দটির উৎপত্তি সিন্ধু নদকে কেন্দ্র করে হলেও সময়ের সঙ্গে এটি একটি ধর্মীয় পরিচয় হিসেবেও প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। একইভাবে ভারত বিভাজন, পাকিস্তান রাষ্ট্রের সৃষ্টি এবং দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ-পরবর্তী ভূরাজনীতি নিয়ে গবেষকদের মধ্যে নানা ব্যাখ্যা ও মতভেদ রয়েছে।